০৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে গাছচাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
  • ৬৫ বার পঠিত

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি গাছ চাপা পড়ে গাছ কাটা এক শ্রমিক মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে । ঘটনার পর ওই শ্রমিক পরিবার টি মানবতার জীবন যাপন করছে।

৭ সদস্যের পরিবারটির আয়ের প্রধান উৎস ছিল ছেলে মোহাম্মদ হাসান । সে গাছ কাটা এবং গাছ বিক্রির জন্য বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কাজ করতো। হঠাৎ করে গত ২৫ শে মে শনিবার সকালে নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগ দল গ্রামের শহিদুল ইসলাম এর সাথে জিনমজুর হিসেবে কাজ করতে যায়।  ঘটনার দিন সকালে উপজেলার সোহাগদল গ্রামের সুতার বাড়ি নামক স্থানে কাটা  গাছ ট্রলারে উঠাইতেছিল ।এ সময় তার পা ফসকে গিয়ে একটি গাছ তার গায়ের উপর পড়লে সে গাছের নিচে চাপা পড়ে। এসময় তিনি  গুরুতর আহত  হলে ডাক্তার এসে তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। গাছ চাপায় নিহত শ্রমিক হাসান একই উপজেলার সারেংকাঠী ইউনিয়নের বিষ্ণু কাঠি গ্রামের মোঃ হায়দার আলীব ছেলে।

এরপর থেকেই আয়ের প্রধান উৎস ছেলেকে হারিয়ে পিতা-মাতা ও পরিবার অন্যান্য লোকজন দিশেহারা হয়ে পড়ে। সাত জনের সংসারে আয়ের মূল শ্রমিক মৃত্যুর পর বর্তমানে ওই পরিবারটি মানবতার জীবনযাপন করছে বলে এলাকাবাসী জানান।
এ ব্যাপারে সারেংকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন  এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর কারণে  পরিবারটির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

পিরোজপুরে গাছচাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০১:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি গাছ চাপা পড়ে গাছ কাটা এক শ্রমিক মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে । ঘটনার পর ওই শ্রমিক পরিবার টি মানবতার জীবন যাপন করছে।

৭ সদস্যের পরিবারটির আয়ের প্রধান উৎস ছিল ছেলে মোহাম্মদ হাসান । সে গাছ কাটা এবং গাছ বিক্রির জন্য বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কাজ করতো। হঠাৎ করে গত ২৫ শে মে শনিবার সকালে নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগ দল গ্রামের শহিদুল ইসলাম এর সাথে জিনমজুর হিসেবে কাজ করতে যায়।  ঘটনার দিন সকালে উপজেলার সোহাগদল গ্রামের সুতার বাড়ি নামক স্থানে কাটা  গাছ ট্রলারে উঠাইতেছিল ।এ সময় তার পা ফসকে গিয়ে একটি গাছ তার গায়ের উপর পড়লে সে গাছের নিচে চাপা পড়ে। এসময় তিনি  গুরুতর আহত  হলে ডাক্তার এসে তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। গাছ চাপায় নিহত শ্রমিক হাসান একই উপজেলার সারেংকাঠী ইউনিয়নের বিষ্ণু কাঠি গ্রামের মোঃ হায়দার আলীব ছেলে।

এরপর থেকেই আয়ের প্রধান উৎস ছেলেকে হারিয়ে পিতা-মাতা ও পরিবার অন্যান্য লোকজন দিশেহারা হয়ে পড়ে। সাত জনের সংসারে আয়ের মূল শ্রমিক মৃত্যুর পর বর্তমানে ওই পরিবারটি মানবতার জীবনযাপন করছে বলে এলাকাবাসী জানান।
এ ব্যাপারে সারেংকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন  এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর কারণে  পরিবারটির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।