০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নকআউট ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত সেই জয়টা পেল রাজস্থানই বিদায় নিতে হলো বেঙ্গালুরুকে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪
  • ১৬ বার পঠিত

টানা ছয় ম্যাচ জিতে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে অফে এসেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে রাজস্থান রয়্যালসের সর্বশেষ জয়টি এসেছিল ৫ ম্যাচ আগে। বেঙ্গালুরু ছুটছিল, আর রাজস্থানের পায়ের নিচ থেকে সরে যাচ্ছিল মাটি। কিন্তু আহমেদাবাদে এলিমিনেটর নামের নকআউট ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত সেই জয়টা পেল রাজস্থানই। বিদায় নিতে হলো বেঙ্গালুরুকে। বিরাট কোহলি আর বেঙ্গালুরুর আইপিএল শিরোপার অপেক্ষাও বাড়ল আরেকটু।

বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৭৩ রানের লক্ষ্য রাজস্থান পেরিয়ে গেছে ৪ উইকেট ও ৬ বল বাকি রেখে। ফলে ২৪ মে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চেন্নাইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে খেলবে রাজস্থানই। সে ম্যাচে জয়ী দল সঙ্গী হবে আগেই ফাইনালে চলে যাওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্সের।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বেঙ্গালুরুর প্রথম চার ব্যাটসম্যানের ইনিংসই ছিল প্রায় একই-সে অর্থে বড় নয়, দ্রুতগতিরও নয়। পাওয়ারপ্লেতে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসির পর অষ্টম ওভারে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান-সংগ্রাহক বিরাট কোহলিকে হারায় তারা। ক্যামেরন গ্রিন ও রজত পাতিদার মাঝের ওভারে ৩১ বলে ৪১ রানের একটা জুটি গড়েন বটে, দুজনই থামেন অসময়ে। মাঝে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের গোল্ডেন ডাকেও ধাক্কা খায় বেঙ্গালুরু।

মহীপাল লমরোর শেষ দিকে খেলেন ১৭ বলে ৩২ রানের ক্যামিও। শেষ পর্যন্ত দলের সর্বোচ্চ ইনিংসটি আসে পাতিদারের ব্যাট থেকে, ৭ রানে যাঁর সহজ ক্যাচ ফেলেছিলেন ধ্রুব জুরেল। অবশ্য ২০ ওভারে ১৭২ রানের সংগ্রহ ম্যাচের পরিপ্রেক্ষিতে একেবারে কমও ছিল না। একে তো নকআউট ম্যাচের চাপ, তার ওপর টানা হারতে থাকা রাজস্থানের আত্মবিশ্বাসও থাকার কথা ছিল তলানিতেই।

যশস্বী জয়সোয়াল ও টম কোলার-ক্যাডমোরের ৪৬ রানের উদ্বোধনী জুটিতে শুরুর স্নায়ুর চাপ সামাল দেয় রাজস্থান। জয়সোয়ালের ৩০ বলে ৪৫ রানের ইনিংস শুরুতে এগিয়েও নেয় তাদের। মাঝে পরপর ২ ওভারে জয়সোয়াল ও সঞ্জু স্যামসনের উইকেট অবশ্য রাজস্থানকে চাপে ফেলে দেয় আবার।

জুরেল ও রিয়ান পরাগের ২৬ রানের জুটি তখনকার চাপ সামাল দিয়েছিল। কিন্তু লেগ সাইডের সীমানা থেকে বিরাট কোহলির দুর্দান্ত থ্রোয়ে জুরেল রানআউট হলে আবার উজ্জীবিত হয় বেঙ্গালুরু। ক্রিজে আসেন শিমরন হেটমায়ার, এ ম্যাচে আগে যিনি সব মিলিয়ে খেলেছেন মাত্র ৪৫ বল। সেই হেটমায়ারই খেলেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। পরাগের সঙ্গে ২৫ বলে ৪৫ রানের জুটিতে রাজস্থানের সমীকরণও সহজ হয়ে আসে।

টানা ছয় ম্যাচ জিতে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে অফে এসেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে রাজস্থান রয়্যালসের সর্বশেষ জয়টি এসেছিল ৫ ম্যাচ আগে। বেঙ্গালুরু ছুটছিল, আর রাজস্থানের পায়ের নিচ থেকে সরে যাচ্ছিল মাটি। কিন্তু আহমেদাবাদে এলিমিনেটর নামের নকআউট ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত সেই জয়টা পেল রাজস্থানই। বিদায় নিতে হলো বেঙ্গালুরুকে। বিরাট কোহলি আর বেঙ্গালুরুর আইপিএল শিরোপার অপেক্ষাও বাড়ল আরেকটু।

বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৭৩ রানের লক্ষ্য রাজস্থান পেরিয়ে গেছে ৪ উইকেট ও ৬ বল বাকি রেখে। ফলে ২৪ মে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চেন্নাইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে খেলবে রাজস্থানই। সে ম্যাচে জয়ী দল সঙ্গী হবে আগেই ফাইনালে চলে যাওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্সের।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বেঙ্গালুরুর প্রথম চার ব্যাটসম্যানের ইনিংসই ছিল প্রায় একই-সে অর্থে বড় নয়, দ্রুতগতিরও নয়। পাওয়ারপ্লেতে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসির পর অষ্টম ওভারে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান-সংগ্রাহক বিরাট কোহলিকে হারায় তারা। ক্যামেরন গ্রিন ও রজত পাতিদার মাঝের ওভারে ৩১ বলে ৪১ রানের একটা জুটি গড়েন বটে, দুজনই থামেন অসময়ে। মাঝে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের গোল্ডেন ডাকেও ধাক্কা খায় বেঙ্গালুরু।

মহীপাল লমরোর শেষ দিকে খেলেন ১৭ বলে ৩২ রানের ক্যামিও। শেষ পর্যন্ত দলের সর্বোচ্চ ইনিংসটি আসে পাতিদারের ব্যাট থেকে, ৭ রানে যাঁর সহজ ক্যাচ ফেলেছিলেন ধ্রুব জুরেল। অবশ্য ২০ ওভারে ১৭২ রানের সংগ্রহ ম্যাচের পরিপ্রেক্ষিতে একেবারে কমও ছিল না। একে তো নকআউট ম্যাচের চাপ, তার ওপর টানা হারতে থাকা রাজস্থানের আত্মবিশ্বাসও থাকার কথা ছিল তলানিতেই।

যশস্বী জয়সোয়াল ও টম কোলার-ক্যাডমোরের ৪৬ রানের উদ্বোধনী জুটিতে শুরুর স্নায়ুর চাপ সামাল দেয় রাজস্থান। জয়সোয়ালের ৩০ বলে ৪৫ রানের ইনিংস শুরুতে এগিয়েও নেয় তাদের। মাঝে পরপর ২ ওভারে জয়সোয়াল ও সঞ্জু স্যামসনের উইকেট অবশ্য রাজস্থানকে চাপে ফেলে দেয় আবার।

জুরেল ও রিয়ান পরাগের ২৬ রানের জুটি তখনকার চাপ সামাল দিয়েছিল। কিন্তু লেগ সাইডের সীমানা থেকে বিরাট কোহলির দুর্দান্ত থ্রোয়ে জুরেল রানআউট হলে আবার উজ্জীবিত হয় বেঙ্গালুরু। ক্রিজে আসেন শিমরন হেটমায়ার, এ ম্যাচে আগে যিনি সব মিলিয়ে খেলেছেন মাত্র ৪৫ বল। সেই হেটমায়ারই খেলেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। পরাগের সঙ্গে ২৫ বলে ৪৫ রানের জুটিতে রাজস্থানের সমীকরণও সহজ হয়ে আসে।

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি সিরিজ, নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি সিরিজ, নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক

১৮তম ওভারে মোহাম্মদ সিরাজ করেন জোড়া আঘাত—পরাগের পর থামেন হেটমায়ারও। অবশ্য তখনো রাজস্থানের বাকি ৪ উইকেট, ১২ বলে দরকার মাত্র ১৩ রান। লকি ফার্গুসনের করা ১৯তম ওভারেই রাজস্থানের জয় নিশ্চিত করেন রোভম্যান পাওয়েল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ২০ ওভারে ১৭২/৮ (পাতিদার ৩৪, কোহলি ৩৩, লমরোর ৩২, গ্রিন ২৭; আভেশ ৩/৪৪, অশ্বিন ২/১৯, বোল্ট ১/১৬, চাহাল ১/৪৩)

রাজস্থান রয়্যালস: ২০ ওভারে ১৭৪/৬ (জয়সোয়াল ৪৫, পরাগ ৩৬, হেটমায়ার ২৬, স্যামসন ১৭; সিরাজ ২/৩৩, কর্ন ১/১৯, গ্রিন ১/২৮)

ফল: রাজস্থান ৪ উইকেটে জয়ী

নকআউট ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত সেই জয়টা পেল রাজস্থানই বিদায় নিতে হলো বেঙ্গালুরুকে

প্রকাশের সময় : ০১:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

টানা ছয় ম্যাচ জিতে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে অফে এসেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে রাজস্থান রয়্যালসের সর্বশেষ জয়টি এসেছিল ৫ ম্যাচ আগে। বেঙ্গালুরু ছুটছিল, আর রাজস্থানের পায়ের নিচ থেকে সরে যাচ্ছিল মাটি। কিন্তু আহমেদাবাদে এলিমিনেটর নামের নকআউট ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত সেই জয়টা পেল রাজস্থানই। বিদায় নিতে হলো বেঙ্গালুরুকে। বিরাট কোহলি আর বেঙ্গালুরুর আইপিএল শিরোপার অপেক্ষাও বাড়ল আরেকটু।

বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৭৩ রানের লক্ষ্য রাজস্থান পেরিয়ে গেছে ৪ উইকেট ও ৬ বল বাকি রেখে। ফলে ২৪ মে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চেন্নাইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে খেলবে রাজস্থানই। সে ম্যাচে জয়ী দল সঙ্গী হবে আগেই ফাইনালে চলে যাওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্সের।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বেঙ্গালুরুর প্রথম চার ব্যাটসম্যানের ইনিংসই ছিল প্রায় একই-সে অর্থে বড় নয়, দ্রুতগতিরও নয়। পাওয়ারপ্লেতে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসির পর অষ্টম ওভারে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান-সংগ্রাহক বিরাট কোহলিকে হারায় তারা। ক্যামেরন গ্রিন ও রজত পাতিদার মাঝের ওভারে ৩১ বলে ৪১ রানের একটা জুটি গড়েন বটে, দুজনই থামেন অসময়ে। মাঝে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের গোল্ডেন ডাকেও ধাক্কা খায় বেঙ্গালুরু।

মহীপাল লমরোর শেষ দিকে খেলেন ১৭ বলে ৩২ রানের ক্যামিও। শেষ পর্যন্ত দলের সর্বোচ্চ ইনিংসটি আসে পাতিদারের ব্যাট থেকে, ৭ রানে যাঁর সহজ ক্যাচ ফেলেছিলেন ধ্রুব জুরেল। অবশ্য ২০ ওভারে ১৭২ রানের সংগ্রহ ম্যাচের পরিপ্রেক্ষিতে একেবারে কমও ছিল না। একে তো নকআউট ম্যাচের চাপ, তার ওপর টানা হারতে থাকা রাজস্থানের আত্মবিশ্বাসও থাকার কথা ছিল তলানিতেই।

যশস্বী জয়সোয়াল ও টম কোলার-ক্যাডমোরের ৪৬ রানের উদ্বোধনী জুটিতে শুরুর স্নায়ুর চাপ সামাল দেয় রাজস্থান। জয়সোয়ালের ৩০ বলে ৪৫ রানের ইনিংস শুরুতে এগিয়েও নেয় তাদের। মাঝে পরপর ২ ওভারে জয়সোয়াল ও সঞ্জু স্যামসনের উইকেট অবশ্য রাজস্থানকে চাপে ফেলে দেয় আবার।

জুরেল ও রিয়ান পরাগের ২৬ রানের জুটি তখনকার চাপ সামাল দিয়েছিল। কিন্তু লেগ সাইডের সীমানা থেকে বিরাট কোহলির দুর্দান্ত থ্রোয়ে জুরেল রানআউট হলে আবার উজ্জীবিত হয় বেঙ্গালুরু। ক্রিজে আসেন শিমরন হেটমায়ার, এ ম্যাচে আগে যিনি সব মিলিয়ে খেলেছেন মাত্র ৪৫ বল। সেই হেটমায়ারই খেলেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। পরাগের সঙ্গে ২৫ বলে ৪৫ রানের জুটিতে রাজস্থানের সমীকরণও সহজ হয়ে আসে।

টানা ছয় ম্যাচ জিতে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে অফে এসেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে রাজস্থান রয়্যালসের সর্বশেষ জয়টি এসেছিল ৫ ম্যাচ আগে। বেঙ্গালুরু ছুটছিল, আর রাজস্থানের পায়ের নিচ থেকে সরে যাচ্ছিল মাটি। কিন্তু আহমেদাবাদে এলিমিনেটর নামের নকআউট ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত সেই জয়টা পেল রাজস্থানই। বিদায় নিতে হলো বেঙ্গালুরুকে। বিরাট কোহলি আর বেঙ্গালুরুর আইপিএল শিরোপার অপেক্ষাও বাড়ল আরেকটু।

বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৭৩ রানের লক্ষ্য রাজস্থান পেরিয়ে গেছে ৪ উইকেট ও ৬ বল বাকি রেখে। ফলে ২৪ মে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চেন্নাইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে খেলবে রাজস্থানই। সে ম্যাচে জয়ী দল সঙ্গী হবে আগেই ফাইনালে চলে যাওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্সের।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বেঙ্গালুরুর প্রথম চার ব্যাটসম্যানের ইনিংসই ছিল প্রায় একই-সে অর্থে বড় নয়, দ্রুতগতিরও নয়। পাওয়ারপ্লেতে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসির পর অষ্টম ওভারে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান-সংগ্রাহক বিরাট কোহলিকে হারায় তারা। ক্যামেরন গ্রিন ও রজত পাতিদার মাঝের ওভারে ৩১ বলে ৪১ রানের একটা জুটি গড়েন বটে, দুজনই থামেন অসময়ে। মাঝে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের গোল্ডেন ডাকেও ধাক্কা খায় বেঙ্গালুরু।

মহীপাল লমরোর শেষ দিকে খেলেন ১৭ বলে ৩২ রানের ক্যামিও। শেষ পর্যন্ত দলের সর্বোচ্চ ইনিংসটি আসে পাতিদারের ব্যাট থেকে, ৭ রানে যাঁর সহজ ক্যাচ ফেলেছিলেন ধ্রুব জুরেল। অবশ্য ২০ ওভারে ১৭২ রানের সংগ্রহ ম্যাচের পরিপ্রেক্ষিতে একেবারে কমও ছিল না। একে তো নকআউট ম্যাচের চাপ, তার ওপর টানা হারতে থাকা রাজস্থানের আত্মবিশ্বাসও থাকার কথা ছিল তলানিতেই।

যশস্বী জয়সোয়াল ও টম কোলার-ক্যাডমোরের ৪৬ রানের উদ্বোধনী জুটিতে শুরুর স্নায়ুর চাপ সামাল দেয় রাজস্থান। জয়সোয়ালের ৩০ বলে ৪৫ রানের ইনিংস শুরুতে এগিয়েও নেয় তাদের। মাঝে পরপর ২ ওভারে জয়সোয়াল ও সঞ্জু স্যামসনের উইকেট অবশ্য রাজস্থানকে চাপে ফেলে দেয় আবার।

জুরেল ও রিয়ান পরাগের ২৬ রানের জুটি তখনকার চাপ সামাল দিয়েছিল। কিন্তু লেগ সাইডের সীমানা থেকে বিরাট কোহলির দুর্দান্ত থ্রোয়ে জুরেল রানআউট হলে আবার উজ্জীবিত হয় বেঙ্গালুরু। ক্রিজে আসেন শিমরন হেটমায়ার, এ ম্যাচে আগে যিনি সব মিলিয়ে খেলেছেন মাত্র ৪৫ বল। সেই হেটমায়ারই খেলেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। পরাগের সঙ্গে ২৫ বলে ৪৫ রানের জুটিতে রাজস্থানের সমীকরণও সহজ হয়ে আসে।

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি সিরিজ, নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি সিরিজ, নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক

১৮তম ওভারে মোহাম্মদ সিরাজ করেন জোড়া আঘাত—পরাগের পর থামেন হেটমায়ারও। অবশ্য তখনো রাজস্থানের বাকি ৪ উইকেট, ১২ বলে দরকার মাত্র ১৩ রান। লকি ফার্গুসনের করা ১৯তম ওভারেই রাজস্থানের জয় নিশ্চিত করেন রোভম্যান পাওয়েল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ২০ ওভারে ১৭২/৮ (পাতিদার ৩৪, কোহলি ৩৩, লমরোর ৩২, গ্রিন ২৭; আভেশ ৩/৪৪, অশ্বিন ২/১৯, বোল্ট ১/১৬, চাহাল ১/৪৩)

রাজস্থান রয়্যালস: ২০ ওভারে ১৭৪/৬ (জয়সোয়াল ৪৫, পরাগ ৩৬, হেটমায়ার ২৬, স্যামসন ১৭; সিরাজ ২/৩৩, কর্ন ১/১৯, গ্রিন ১/২৮)

ফল: রাজস্থান ৪ উইকেটে জয়ী