ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের যাত্রাবাড়ী থানাধীন এক আনন্দঘন পরিবেশে আরিবা আহমেদের চতুর্থ জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। পরিবারের সদস্য, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে শিশুটির এই বিশেষ দিনটি স্মরণীয় হয়ে ওঠে। হাসি–আনন্দ, ভালোবাসা ও দোয়ায় ভরে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানের স্থান।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!জন্মদিনের আয়োজনটি ছিল পারিবারিক ও সাদামাটা, তবে শিশু বান্ধব সাজসজ্জায় অনুষ্ঠানের স্থানটি রঙিন বেলুন, ফুল ও কেকের সঙ্গে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল কেক কাটার পর্ব, যেখানে আরিবা তার পিতা বুলবুল আহমেদ ও মাতা সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে কেক কেটে আনন্দের মুহূর্ত ভাগাভাগি করে। কেক কাটার সময় উপস্থিত অতিথিরা করতালিতে শুভেচ্ছা জানান, যা অনুষ্ঠানের আনন্দ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে।
আরিবা আহমেদ তার হাস্যোজ্জ্বল মুখ, সরলতা ও প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সকলের মন কেড়ে নেয়। অতিথিরা তাকে বিভিন্ন উপহার প্রদান করেন এবং তার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় দোয়া করেন। শিশুদের জন্য ছোটখাটো খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়, যা জন্মদিনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
পিতা বুলবুল আহমেদ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সন্তান আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত। তিনি তার কন্যা আরিবার জন্য সবার দোয়া কামনা করেন যেন সে সুস্থ, নৈতিক ও মানবিক গুণে গুণান্বিত হয়ে বেড়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, একটি শিশুর মানসিক ও নৈতিক বিকাশে পরিবার, সমাজ ও শিক্ষার সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাতা সুমাইয়া আক্তার আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, আরিবার প্রতিটি বেড়ে ওঠার মুহূর্ত তাদের পরিবারের জন্য আনন্দের। তিনি কন্যার সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা কামনা করেন। একজন মা হিসেবে সন্তানের সঠিক শিক্ষা, শিষ্টাচার ও মানবিক মূল্যবোধে বড় করে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা পিতা-মাতার প্রতি শুভেচ্ছা জানান এবং ছোট্ট আরিবার জন্য দোয়া করেন। তারা বলেন, এমন পারিবারিক আয়োজনে ভালোবাসা ও মূল্যবোধের চর্চা হয়, যা শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে আরিবা আহমেদের চতুর্থ জন্মদিনটি ছিল আনন্দ, ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধনে ভরা একটি স্মরণীয় দিন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের সুন্দর ও মূল্যবোধপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে সন্তানের শৈশবকে আনন্দময় করে তুলতে চান।
দৈনিক টার্গেট 














