আজ ১৬ জুলাই, প্রথমবারের মতোই বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’। গত বছর এই দিনে রংপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তাঁর স্মরণেই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ২ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়। উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত সেই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, প্রতিবছর ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালিত হবে। এটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের তালিকায় ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতেও একই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এছাড়া শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশের সকল মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও প্রার্থনা ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
দেশজুড়ে আবু সাঈদের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে বিভিন্ন সংগঠন, শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকবার্তা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, আবু সাঈদ ছিলেন একজন মেধাবী ছাত্র এবং সচেতন নাগরিক। কোটাবিরোধী আন্দোলনে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের অংশ, যেখানে জীবন দিয়ে তিনি রচনা করেছেন প্রতিবাদের এক নতুন অধ্যায়।


















