দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের পর অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শপথ-পরবর্তী বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের রায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এ জন্য তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!নবগঠিত মন্ত্রিসভাকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
তারেক রহমান বলেন, শহীদদের ত্যাগের বিনিময়েই স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি নিরাপদ, মানবিক, গণতান্ত্রিক ও মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই তাঁর সরকার কাজ শুরু করেছে বলে তিনি জানান। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশা পূরণ করাই হবে সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
তারেক রহমান আরও বলেন, নতুন সরকার জাতীয় ঐক্য, আইনের শাসন, সুশাসন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেন এবং শহীদদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন। নতুন সরকারের যাত্রা যেন দেশকে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়-এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন তিনি।
দৈনিক টার্গেট 












