চাঁদপুর জেলার আট উপজেলার অসংখ্যজন মানুষ প্রতিদিন ন্যায়বিচারের আশায় ছুটে আসেন চাঁদপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই ওই আদালত চত্বরে সৃষ্টি হচ্ছে চরম জলাবদ্ধতা। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আগত সাধারণ মানুষ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আদালতের টিনশেড ভবনের সামনের খালি জায়গাটি হাঁটুসমান পানিতে ডুবে রয়েছে। বৃষ্টির পানি আদালত কক্ষ-এর প্রবেশপথে জমে থাকায় দাঁড়িয়ে থাকারও সুযোগ নেই।
সদর উপজেলার চান্দ্রা এলাকা থেকে আসা বিচারপ্রার্থী নাছির উদ্দিন বলেন, “মামলার কাজে এসে দেখি হাঁটুসমান পানি। এমন অবস্থা প্রায় সময়ই হয়। দাঁড়ানোর জায়গাটাও থাকেনা।”
হাজীগঞ্জ থেকে আসা মিজানুর রহমান বলেন, “বৃষ্টি হলে আশ্রয় নেয়ার জায়গা থাকে না। সামনের খালি মাঠেও দাঁড়ানো যায় না। এতে করে বিচারিক কার্যক্রমে দেরি হয়।”
আদালতসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মনজুরুল ইসলাম তালুকদার জানান, “আদালতের আশপাশে ডোবা ও নিচু জায়গাগুলোতে পানি জমে থাকে। সঠিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করে।”
জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট তোফায়েল হোসেন বলেন, “টিনশেড আদালতের সামনে পুকুরের মতো অবস্থা। এই জায়গা বালু দিয়ে ভরাট করে উঁচু করা জরুরি। পাশাপাশি একটি ছাউনি বা ছাপড়া নির্মাণ করা দরকার যাতে বিচারপ্রার্থীরা অপেক্ষা করতে পারেন।”
চাঁদপুর জেলা জজ আদালতের নাজির শাহআলম বলেন, “টিনশেডের সামনের অংশটি বিল্ডিং করে বা মাটি দিয়ে ভরাট করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
বিচার বিভাগের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বছরের পর বছর ধরে এ ধরনের সমস্যা বিচারপ্রার্থীদের যেমন হতাশ করছে, তেমনি ক্ষুণ্ন করছে প্রশাসনের ভাবমূর্তি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিলে এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে চাঁদপুরবাসী।
দৈনিক টার্গেট 















