রংপুরে বিএনপির সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সাম্প্রতিক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শনিবার ১২ জুলাই বেলা ১১টা থেকে নগরীর জিলা স্কুল মোড় এলাকায় শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা সোয়া ১২টার দিকে এক বিশাল মিছিল বের করা হয়।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগর আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি এবং জেলা আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড় ঘুরে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভকারীরা এ সময় ‘মানুষ মারার অধিকার কে দিলো রে জানোয়ার’, ‘চাঁদাবাজি রাজনীতি একসাথে চলে না’, ‘চাঁদাবাজদের আস্তানা এই বাংলায় হবে না’, ‘যুবদল মানুষ মারে, ইন্টেরিম কি করে?’-সহ নানা স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করেন।
সমাবেশে বক্তারা সাম্প্রতিক ঢাকায় নির্মমভাবে পাথর মেরে হত্যা এবং খুলনায় একজনকে খুন করে রগ কেটে দেওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। বক্তাদের দাবি, এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন যুবদলের নেতাকর্মীরা সরাসরি জড়িত, এবং এটি রাজনৈতিক সহিংসতার ভয়াবহ রূপ।
বেগম রোকেয়া কলেজের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার নওশিন বলেন, “আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি, কারণ একজন ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।”
সমাবেশে ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি বলেন, “দেশে নতুন করে সহিংস রাজনীতি শুরু হয়েছে। এসব ঘটনায় যুবদল জড়িত, যা প্রমাণ করে তারা নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। আমরা ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছি এই নৃশংসতা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে।”
জেলা আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ বলেন, “স্বাধীন বাংলাদেশে মধ্যযুগীয় বর্বরতা মেনে নেওয়া যায় না। ইন্টেরিম সরকার যদি কোনো দলের প্রতি পক্ষপাত দেখায়, সেটা দেশের জন্য বিপদ। ছাত্র-জনতা কাউকে ভয় পায় না। তারা অতীতেও স্বৈরাচার হটিয়েছে, ভবিষ্যতেও হটাবে।”
এছাড়াও দুপুরে রংপুর পলিটেকনিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরাও একাত্মতা প্রকাশ করে নগরীতে আলাদা একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করে।