খুলনার কয়রায় কোস্টগার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০৩ কেজি হরিণের মাংস, মাথা ও ফাঁদ উদ্ধার, আটক চোরা শিকারি মিজানুর রহমান

কয়রায় ১০৩ কেজি হরিণের মাংসসহ চোরা শিকারি আটক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৪০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮৯ বার পঠিত হয়েছে

খুলনার কয়রায় কোস্টগার্ডের অভিযানে প্রায় ১০৩ কেজি হরিণের মাংস, একটি হরিণের মাথা ও প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ শিকারের ফাঁদসহ এক চোরা শিকারিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তির নাম মিজানুর রহমান, তিনি কয়রার আংটিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫) রাত ১টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রার সদস্যরা কয়রা থানাধীন ছোট অংটিহারা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তির দখল থেকে ১০৩ কেজি হরিণের মাংস, একটি হরিণের মাথা এবং হরিণ শিকারে ব্যবহৃত দীর্ঘ ফাঁদ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান- আটক মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বন এলাকায় হরিণ শিকার ও মাংস পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দকৃত মালামালসহ কয়রার আন্দারমানিক ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে কোস্টগার্ড কর্মকর্তা বলেন-

বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার দেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, কয়রার বিভিন্ন বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যক্তি হরিণ শিকার করে মাংস বিক্রির চেষ্টা করছে। এতে শুধু বনাঞ্চলের প্রাণীর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা কোস্টগার্ডের এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দাবি জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়-  হরিণ হত্যা প্রতিরোধে বনবিভাগ ও কোস্টগার্ডের যৌথ উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। নিয়মিত টহল ও কঠোর নজরদারি চালানো হলে সুন্দরবনের প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা সহজ হবে।

উল্লেখ্য- বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, হরিণ হত্যা, মাংস বিক্রি বা পরিবহনের দায়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন যে- কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকলে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষা সম্ভব হবে।

খুলনার কয়রায় কোস্টগার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০৩ কেজি হরিণের মাংস, মাথা ও ফাঁদ উদ্ধার, আটক চোরা শিকারি মিজানুর রহমান

কয়রায় ১০৩ কেজি হরিণের মাংসসহ চোরা শিকারি আটক

প্রকাশ: ০৪:৪০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খুলনার কয়রায় কোস্টগার্ডের অভিযানে প্রায় ১০৩ কেজি হরিণের মাংস, একটি হরিণের মাথা ও প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ শিকারের ফাঁদসহ এক চোরা শিকারিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তির নাম মিজানুর রহমান, তিনি কয়রার আংটিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫) রাত ১টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রার সদস্যরা কয়রা থানাধীন ছোট অংটিহারা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তির দখল থেকে ১০৩ কেজি হরিণের মাংস, একটি হরিণের মাথা এবং হরিণ শিকারে ব্যবহৃত দীর্ঘ ফাঁদ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান- আটক মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বন এলাকায় হরিণ শিকার ও মাংস পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দকৃত মালামালসহ কয়রার আন্দারমানিক ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে কোস্টগার্ড কর্মকর্তা বলেন-

বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার দেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, কয়রার বিভিন্ন বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যক্তি হরিণ শিকার করে মাংস বিক্রির চেষ্টা করছে। এতে শুধু বনাঞ্চলের প্রাণীর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা কোস্টগার্ডের এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দাবি জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়-  হরিণ হত্যা প্রতিরোধে বনবিভাগ ও কোস্টগার্ডের যৌথ উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। নিয়মিত টহল ও কঠোর নজরদারি চালানো হলে সুন্দরবনের প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা সহজ হবে।

উল্লেখ্য- বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, হরিণ হত্যা, মাংস বিক্রি বা পরিবহনের দায়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন যে- কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকলে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষা সম্ভব হবে।