খুলনার কয়রা উপজেলার কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির বারবার নির্বাচিত সভাপতি জুলফিকার আলম, যিনি স্থানীয়দের কাছে ‘বড় মিয়া’ নামে সমাদৃত, তার মানবিক এবং সহজ-সরল আচরণের জন্য আবারও সবার প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সম্প্রতি তিনি বাজারের একজন সাধারণ ব্যবসায়ী, ‘ভাই ভাই কাঁচামাল স্টোর’-এর মালিক সিরাজুল ইসলাম মোড়লের কন্যার বিবাহ অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়েছেন। এই উপস্থিতি শুধু একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নয়, বরং একজন প্রতিনিধির বিনয়, সততা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তার গভীর ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।
জুলফিকার আলম নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পাতায় এই শুভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “কয়রা বাজারের সম্মানিত ব্যবসায়ী ভাই ভাই কাঁচামাল স্টোরের মালিক সিরাজুল ইসলাম মোড়লের কন্যার বিয়েতে উপস্থিত হতে পেরে শুকরিয়া আদায় করছি। আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করি আল্লাহ যেন ধর্মীয় অনুশাসন মেনে দাম্পত্য জীবন সুন্দরভাবে অতিবাহিত করার তৌফিক দান করেন।” তার এই সংক্ষিপ্ত বার্তাটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একজন অভিভাবকের মতো আন্তরিক দোয়া।
‘বড় মিয়া’ নামে পরিচিত জুলফিকার আলম শুধুমাত্র কয়রা বাজারের সভাপতি নন, তিনি একজন প্রকৃত সেবক। তার সততা, নির্লোভ মানসিকতা এবং সবার সঙ্গে মিশে যাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা তাকে কয়রা বাজার ছাড়িয়ে আশেপাশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও জনপ্রিয় করে তুলেছে। তিনি পদমর্যাদা বা সামাজিক অবস্থানকে কোনো বাধা মনে করেন না। তার কাছে ব্যবসায়ী, ক্রেতা, শ্রমিক- সবাই সমান। যেকোনো প্রয়োজনে, যেকোনো মুহূর্তে মানুষ তাকে পাশে পায়। তার এই সহজলভ্যতা এবং সবার প্রতি সমান শ্রদ্ধাবোধই তাকে ‘বড় মিয়া’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।
সাধারণত, সমাজের উঁচু পদে থাকা ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের এমন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন না। কিন্তু জুলফিকার আলম এই প্রথা ভেঙে দিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে, একজন নেতা তখনই সফল হন যখন তিনি তার জনগণের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। তার এই দৃষ্টান্তমূলক আচরণ কয়রা বাজার সমিতির অন্যান্য ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে এক নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করেছে।
কয়রা বাজার সমিতির ব্যবসায়ীরা মনে করেন, ‘বড় মিয়া’-র মতো সৎ এবং মানবিক নেতা পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। তিনি শুধু ব্যবসার উন্নয়নেই কাজ করেন না, বরং ব্যবসায়ীদের ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখেও অংশ নেন। সিরাজুল ইসলাম মোড়লের কন্যার বিয়েতে তার উপস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকলে যেকোনো পদমর্যাদা অর্থবহ হয়ে ওঠে। জুলফিকার আলমের মতো ব্যক্তিরাই সমাজের ভিত্তি মজবুত করেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলেন।
তার এই কার্যক্রম স্থানীয় সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে একজন নেতা তার জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারেন শুধুমাত্র সততা এবং বিনয়ের মাধ্যমে।


















