বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট সম্প্রতি এক প্রচারমূলক বার্তার মাধ্যমে মাদকবিরোধী উদ্যোগে যুক্ত হয়ে আলোচনায় এসেছেন। তবে প্রশংসার চেয়ে সমালোচনাই তাকে বেশি ঘিরে ধরেছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!চণ্ডীগড়ের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) আয়োজিত মাদকবিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে আলিয়া ভাট একটি ভিডিওবার্তা দেন। সেখানে তিনি মাদকাসক্তিকে সমাজ ও জাতির জন্য ভয়াবহ হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “জীবনকে হ্যাঁ বলুন, মাদককে না বলুন। এনসিবির এই বিশেষ অভিযানে সবাইকে যুক্ত হতে হবে। লিংক বা কিউআর কোডের মাধ্যমে ই-প্রতিজ্ঞা নিন।”
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, বলিউডের অতীতের মাদককাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে আলিয়া ভাটকে এ ধরনের উদ্যোগে নেওয়া কতটা যৌক্তিক। সমালোচকরা মন্তব্য করেন, আগে শিল্পী জগতে মাদকের প্রভাব বন্ধ করা উচিত ছিল।
বিতর্ক এতটাই বাড়ে যে ভিডিওটির মন্তব্যের অপশন বন্ধ করে দেয় এনসিবি। যদিও তাদের অন্য পোস্টে মন্তব্যের সুযোগ খোলা ছিল, শুধুমাত্র আলিয়ার ভিডিওতে তা বন্ধ করা হয়। তবুও সমালোচনার ধারা থামেনি। ‘কোট-টুইট’ এবং মিমের মাধ্যমে অনেকেই ভিডিওটিকে ব্যঙ্গ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সচেতনতা তৈরির জন্য এ উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও বলিউডের নামজাদা অভিনেত্রীদের জড়িয়ে থাকা অতীতের বিতর্ক মানুষের মনে এখনও তাজা, যা এই ভিডিওকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।


















