প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৪ ডিসেম্বর দেশের বিচারকদের উদ্দেশে শেষ বিদায়ী ভাষণ দেবেন, যা তার দায়িত্বকালের সংস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার উপর কেন্দ্রিত হবে

প্রধান বিচারপতি রেফাত আহমেদের বিদায়ী ভাষণ ১৪ ডিসেম্বর

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৮ বার পঠিত হয়েছে

সৈয়দ রেফাত আহমেদ

দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর বয়সজনিত কারণে অবসরে যাচ্ছেন। অবসর গ্রহণের পূর্বে বিচারকদের উদ্দেশে তার শেষ আনুষ্ঠানিক ভাষণ ১৪ ডিসেম্বর প্রদান করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বৃহস্পতিবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির বয়সসীমা ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় এ মাসের ২৭ তারিখে তার কর্মজীবনের ইতি ঘটছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অবসরের আগে বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এটাই তার শেষ অভিভাষণ হবে।

অডিটোরিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ সভা

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৪ ডিসেম্বর রবিবার বিকেল ৩টায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে দেশের বিভিন্ন জেলা আদালতে দায়িত্ব পালনকারী জ্যেষ্ঠ বিচারকদের নিয়ে বিশেষ এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ শীর্ষ বিচারকগণ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। সেখানে প্রধান বিচারপতি তাদের সামনে আনুষ্ঠানিক ‘বিদায়ী অভিভাষণ’ প্রদান করবেন।

দেড় বছরের সংস্কারযাত্রার মূল্যায়ন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি গত বছরের ১০ আগস্ট নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং পরদিন শপথ নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর বিচার বিভাগকে আধুনিকায়ন করতে তিনি যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলেন, সেখানকার কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়েই তার বিদায়ী বক্তব্যের মূল অংশ গঠিত হবে।

Google News দৈনিক টার্গেটের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিচার বিভাগের ডিজিটাল রূপান্তর, মামলার জট কমানো, বিচারকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিচারপ্রার্থীদের সেবাপ্রাপ্তি সহজ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তার ভাষণে বিশেষভাবে উঠে আসবে।

বিচার বিভাগে উল্লেখযোগ্য সংস্কার

দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, ২১ সেপ্টেম্বর তিনি বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের সামনে বিচার বিভাগের সংস্কার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধসহ বেশ কয়েকটি কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রস্তাব ছিল সেই রোডম্যাপে।

দেড় বছর ধরে সেই পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে গত ২০ নভেম্বর বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় গঠনের অনুমোদন দেয় সরকার। উচ্চ আদালতের অধীনে পরিচালিত হবে নতুন এই সচিবালয়; উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

WhatsApp

আমাদের WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন

ফলো করুন
জনপ্রিয় টার্গেট

দৈনিক টার্গেট

আমাদের ফেসবুক পেজটি ফলো করুন সর্বশেষ খবর পেতে।

ফলো করুন

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৪ ডিসেম্বর দেশের বিচারকদের উদ্দেশে শেষ বিদায়ী ভাষণ দেবেন, যা তার দায়িত্বকালের সংস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার উপর কেন্দ্রিত হবে

প্রধান বিচারপতি রেফাত আহমেদের বিদায়ী ভাষণ ১৪ ডিসেম্বর

প্রকাশ: ০৮:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর বয়সজনিত কারণে অবসরে যাচ্ছেন। অবসর গ্রহণের পূর্বে বিচারকদের উদ্দেশে তার শেষ আনুষ্ঠানিক ভাষণ ১৪ ডিসেম্বর প্রদান করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বৃহস্পতিবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির বয়সসীমা ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় এ মাসের ২৭ তারিখে তার কর্মজীবনের ইতি ঘটছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অবসরের আগে বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এটাই তার শেষ অভিভাষণ হবে।

অডিটোরিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ সভা

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৪ ডিসেম্বর রবিবার বিকেল ৩টায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে দেশের বিভিন্ন জেলা আদালতে দায়িত্ব পালনকারী জ্যেষ্ঠ বিচারকদের নিয়ে বিশেষ এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ শীর্ষ বিচারকগণ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। সেখানে প্রধান বিচারপতি তাদের সামনে আনুষ্ঠানিক ‘বিদায়ী অভিভাষণ’ প্রদান করবেন।

দেড় বছরের সংস্কারযাত্রার মূল্যায়ন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি গত বছরের ১০ আগস্ট নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং পরদিন শপথ নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর বিচার বিভাগকে আধুনিকায়ন করতে তিনি যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলেন, সেখানকার কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়েই তার বিদায়ী বক্তব্যের মূল অংশ গঠিত হবে।

Google News দৈনিক টার্গেটের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিচার বিভাগের ডিজিটাল রূপান্তর, মামলার জট কমানো, বিচারকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিচারপ্রার্থীদের সেবাপ্রাপ্তি সহজ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তার ভাষণে বিশেষভাবে উঠে আসবে।

বিচার বিভাগে উল্লেখযোগ্য সংস্কার

দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, ২১ সেপ্টেম্বর তিনি বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের সামনে বিচার বিভাগের সংস্কার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধসহ বেশ কয়েকটি কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রস্তাব ছিল সেই রোডম্যাপে।

দেড় বছর ধরে সেই পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে গত ২০ নভেম্বর বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় গঠনের অনুমোদন দেয় সরকার। উচ্চ আদালতের অধীনে পরিচালিত হবে নতুন এই সচিবালয়; উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

WhatsApp

আমাদের WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন

ফলো করুন