বাংলার গ্রামীণ রান্নাঘর থেকে শুরু করে আধুনিক শহুরে পরিবার সবার কাছেই তাল এক অনন্য স্বাদের ফল। ভাপা পিঠা কিংবা পাটিসাপটা ছাড়াও এই ফলের আরেকটি জনপ্রিয় খাবার হলো তালের পায়েস।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!অতিথি আপ্যায়ন হোক বা প্রিয়জনদের জন্য বিশেষ আয়োজন, ঘরোয়া এই পায়েস যেন স্বাদে-গন্ধে এক অন্যরকম আবেশ এনে দেয়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
তালের পায়েস তৈরি করতে খুব বেশি উপকরণের দরকার হয় না। সামান্য কয়েকটি উপাদানেই তৈরি হয়ে যায় দারুণ স্বাদের খাবারটি। যেমন-
পোলাওর চাল (এক মুঠো)
ঘন দুধ (আধ লিটার)
জ্বাল দেওয়া তালের রস (৫ টেবিল চামচ)
চিনি (পরিমাণ মতো)
কাজু বাদাম ও কিশমিশ
ঘি (১ টেবিল চামচ)
কনডেন্স মিল্ক (ইচ্ছেমতো স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা যাবে)
প্রথমে রান্নার পাত্রে সামান্য ঘি দিয়ে চাল হালকা ভেজে নিন। এরপর তাতে দুধ ঢেলে ফুটতে দিন। অন্যদিকে একটি আলাদা পাত্রে দুধ, তালের রস ও চিনি মিশিয়ে হালকা আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। যখন মিশ্রণটি ভালোভাবে ফুটে যাবে, তখন ভেজে রাখা চাল ঢেলে দিয়ে ক্রমাগত নেড়ে রান্না করুন। ধীরে ধীরে দুধ ঘন হয়ে এলে এতে কনডেন্স মিল্ক, কাজু বাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে নামিয়ে নিন।
তালের পায়েস গরম গরম পরিবেশন করা গেলেও ঠান্ডা করে খেলে এর স্বাদ আরও বেড়ে যায়। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করলে পায়েসের ঘনত্ব বাড়ে এবং খেতে হয় অনেক বেশি সুস্বাদু।
বাংলার ঐতিহ্যবাহী রান্নার তালিকায় পায়েসের স্থান চিরকালই শীর্ষে। তবে তাল দিয়ে তৈরি এই বিশেষ পায়েস শুধু স্বাদের জন্য নয়, বরং মৌসুমি ফলের পুষ্টিগুণও যোগ করে দেয় বাড়তি আনন্দ। তাই উৎসবের দিনে কিংবা স্রেফ মন ভালো করার জন্যও এই পায়েস হতে পারে সেরা পছন্দ।
দৈনিক টার্গেট 















