দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও বাড়ছে বৃষ্টিপাত। মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে দেশের বেশিরভাগ জায়গায় আগামী কয়েকদিন বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে কিছু এলাকায় ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমার আভাসও দেওয়া হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অফিস থেকে পাঠানো এক পূর্বাভাসে জানানো হয়, বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে এবং এটি উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। ফলে দেশের আবহাওয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
পূর্বাভাসে আরো বলা হয়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি শাখা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত। এ প্রেক্ষাপটে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানান, এ সময় দিনের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে খুব বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
রবিবার সন্ধ্যার পূর্বাভাসেও একই ধরনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণও হতে পারে। তবে সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকতে পারে।
আবহাওয়া পরিস্থিতির এই পরিবর্তন মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বৃষ্টির কারণে যানজটে দুর্ভোগ বাড়ছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের খরার পর বৃষ্টি কৃষক ও চাষিদের জন্য কিছুটা স্বস্তিও বয়ে আনছে। তবে বজ্রপাতের ঝুঁকি এড়াতে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বাইরে বের হওয়ার সময় ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখুন এবং বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা বা বড় গাছের নিচে অবস্থান না করার চেষ্টা করুন।