ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়-নতুন সরকারের শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ। নির্বাচন-পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে দেশ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হবে। একই দিনে সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নিতে পারেন। এর মাধ্যমে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক অধ্যায় শেষ হয়ে কার্যত শুরু হবে নতুন সরকারের পথচলা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। এর আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, শপথ আয়োজন বিলম্বিত করা হবে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার থেকে শপথ আয়োজনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক টিম ও ক্যাবিনেট সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে টানা কাজ করছেন। প্রধান উপদেষ্টাও ছুটির দিনেও কার্যক্রম তদারকি করছেন বলে জানান তিনি।
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অথবা তার মনোনীত প্রতিনিধি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে দায়িত্বে থাকবেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন।
এবারের নির্বাচনে মোট ২৯৭টি আসনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে, যা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া স্থগিত থাকা দুটি আসনেও দলটির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে নতুন সরকার গঠনে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে এখন সবার দৃষ্টি শপথ অনুষ্ঠানের দিকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের সামনে অর্থনীতি, প্রশাসনিক সংস্কার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন-এই তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে। তবে প্রথম ধাপ হিসেবে সংসদের কার্যক্রম সচল করা এবং মন্ত্রিসভা গঠনই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
সব মিলিয়ে, শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আরেকটি অধ্যায় যুক্ত হতে যাচ্ছে-যা নির্ধারণ করবে আগামী দিনের রাজনৈতিক
দৈনিক টার্গেট 













