Site icon দৈনিক টার্গেট

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’ আসতে পারে

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ

বঙ্গোপসাগরে ক্রমবর্ধমান নিম্নচাপের কারণে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের। ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, আন্দামান সাগর ও মালাক্কা প্রণালীতে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’ রূপ নিতে পারে। স্থানীয় সময় বুধবার বা বৃহস্পতিবার এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আইএমডি ইতিমধ্যেই আন্দামান-নিকোবর দ্বীপ, তামিলনাড়ু এবং পন্ডিচেরিসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সতর্কতা জারি করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘সেনিয়ার’, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দেওয়া এবং এর অর্থ ‘সিংহ’।

বাংলাদেশ ও ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২২ নভেম্বর) যে নিম্নচাপ তৈরি হয়, তা ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে মালাক্কা প্রণালী ও আন্দামান সাগরের উপরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হবে।

ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের কলকাতার আলিপুর কেন্দ্রের সম্পাদক সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ দিনে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ অঞ্চলে তাপমাত্রার কোনো বড় পরিবর্তন হবে না। তবে পাহাড়ি অঞ্চল যেমন দার্জিলিং ও ডুয়ার্সে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, ২৪ পরগনা, হুগলি, মেদিনীপুর, ঝড়গ্রাম, হাওড়া, বাঁকুড়া, বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় আবহাওয়া সাধারণত স্থির থাকবে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরও জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় নতুন নিম্নচাপের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। একইসঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং শ্রীলংকার উপকূল সংলগ্ন অঞ্চলেও নতুন লঘুচাপের জন্মের সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের সামগ্রিক আবহাওয়ার দিক দিয়ে আগামী পাঁচ দিনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা নেই। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে, শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে বা অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে বৃহস্পতিবারে সামান্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টার পরবর্তী চব্বিশ ঘণ্টায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তবে সাময়িক সতর্কতা মেনে চলা জরুরি, বিশেষ করে আন্দামান ও তামিলনাড়ু অঞ্চলের বাসিন্দাদের। স্থানীয় প্রশাসন ঝড়ের প্রভাবকে সামনে রেখে প্রস্তুত থাকায় গুরুত্বারোপ করেছে।

Exit mobile version