জেলা ও সিটি করপোরেশনভিত্তিক সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন উচ্চকক্ষের সদস্যরা, নির্বাচন হবে জাতীয় সংসদের সঙ্গে একসাথে

উচ্চকক্ষ গঠনে ৭৬ আসনের প্রস্তাব

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:০৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ১৯৮ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় সংসদ ভবন

জাতীয় সংসদের কাঠামোয় পরিবর্তনের আলোকে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার সংলাপে নতুন এক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য উচ্চকক্ষে মোট ৭৬টি আসন থাকবে এবং এসব আসনে সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

সোমবার (১৪ জুলাই) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপের ১৩তম দিনের অধিবেশনে এই প্রস্তাব তোলা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলা ও ১২টি সিটি করপোরেশন এলাকা নিয়ে গঠিত ৭৬টি একক আঞ্চলিক নির্বাচনি এলাকা থেকে একজন করে প্রতিনিধি উচ্চকক্ষে নির্বাচিত হবেন।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশন নিজস্ব প্রতিনিধি পাবে। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে তারা নির্বাচিত হবেন। একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ (নিম্নকক্ষ) এবং প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষের নির্বাচন একসাথে অনুষ্ঠিত হবে।”

এর আগে সংবিধান সংস্কার কমিশন উচ্চকক্ষের নাম প্রস্তাব করে ‘সিনেট’। কমিশনের মতে, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব পালন করবে এবং এক ধরনের নির্বাহী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। এতে করে জাতীয় সংসদের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে দেশে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আরও গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে বিষয়টি এখনো প্রস্তাবনা পর্যায়ে রয়েছে, এবং এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জেলা ও সিটি করপোরেশনভিত্তিক সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন উচ্চকক্ষের সদস্যরা, নির্বাচন হবে জাতীয় সংসদের সঙ্গে একসাথে

উচ্চকক্ষ গঠনে ৭৬ আসনের প্রস্তাব

প্রকাশ: ০৩:০৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

জাতীয় সংসদের কাঠামোয় পরিবর্তনের আলোকে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার সংলাপে নতুন এক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য উচ্চকক্ষে মোট ৭৬টি আসন থাকবে এবং এসব আসনে সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

সোমবার (১৪ জুলাই) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপের ১৩তম দিনের অধিবেশনে এই প্রস্তাব তোলা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলা ও ১২টি সিটি করপোরেশন এলাকা নিয়ে গঠিত ৭৬টি একক আঞ্চলিক নির্বাচনি এলাকা থেকে একজন করে প্রতিনিধি উচ্চকক্ষে নির্বাচিত হবেন।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশন নিজস্ব প্রতিনিধি পাবে। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে তারা নির্বাচিত হবেন। একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ (নিম্নকক্ষ) এবং প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষের নির্বাচন একসাথে অনুষ্ঠিত হবে।”

এর আগে সংবিধান সংস্কার কমিশন উচ্চকক্ষের নাম প্রস্তাব করে ‘সিনেট’। কমিশনের মতে, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব পালন করবে এবং এক ধরনের নির্বাহী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। এতে করে জাতীয় সংসদের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে দেশে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আরও গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে বিষয়টি এখনো প্রস্তাবনা পর্যায়ে রয়েছে, এবং এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।