২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিবেশ, সুশাসন ও সহযোগিতা বাড়াতে চার দিনের সফরে ঢাকায় মহাসচিব শার্লি বচওয়ে

ঢাকায় এলেন কমনওয়েলথ প্রধান

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:২৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৯ বার পঠিত হয়েছে

শার্লি বচওয়ে

কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বচওয়ে চার দিনের সরকারি সফরে আজ ঢাকায় আসছেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে মতবিনিময় জোরদারের অংশ হিসেবেই এ সফর।

কমনওয়েলথের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানকালে মহাসচিব নির্বাচনী পরিবেশ, গণতান্ত্রিক অগ্রগতি ও সহযোগিতা বিস্তারের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তার সম্ভাবনাও এ সফরে গুরুত্ব পাবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সফরের সময় তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি আলোচনা করবেন।

সভাগুলোতে শান্তি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে কমনওয়েলথের ভূমিকা কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হবে।

কমনওয়েলথের নতুন স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান উপস্থাপন করবেন সফরকালে বচওয়ে কমনওয়েলথের নতুন কৌশলগত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। পরিকল্পনার তিনটি অগ্রাধিকারমূলক স্তম্ভের একটি হলো গণতন্ত্র-যা বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক পথচলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

এছাড়া, বাংলাদেশ কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সহায়তা পেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক হতে পারে, তাও তিনি জানতে আগ্রহী।

সফরের আগে মহাসচিবের বক্তব্য বাংলাদেশ সফরকে সামনে রেখে দেওয়া এক বিবৃতিতে মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতার পর পরই কমনওয়েলথের সদস্য হওয়া বাংলাদেশ সংগঠনের একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার। তিনি জানান, স্থানীয় বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা নেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।

তার বক্তব্যে আরো ছিল-বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, স্বাধীন ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ গঠনে কমনওয়েলথ সবসময় পাশে থাকতে চায়।

প্রাক-নির্বাচনি মূল্যায়ন দলের সফরের ধারাবাহিকতা কমনওয়েলথ বলছে, মহাসচিবের এই সফর গত মাসে ঢাকায় আসা প্রাক-নির্বাচনি মূল্যায়ন দলের কাজেরই ধারাবাহিকতা। ওই দলটি রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করেছিল।

মহাসচিবের এ সফর নির্বাচনপূর্ব সময়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিবেশ, সুশাসন ও সহযোগিতা বাড়াতে চার দিনের সফরে ঢাকায় মহাসচিব শার্লি বচওয়ে

ঢাকায় এলেন কমনওয়েলথ প্রধান

প্রকাশ: ০৮:২৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বচওয়ে চার দিনের সরকারি সফরে আজ ঢাকায় আসছেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে মতবিনিময় জোরদারের অংশ হিসেবেই এ সফর।

কমনওয়েলথের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানকালে মহাসচিব নির্বাচনী পরিবেশ, গণতান্ত্রিক অগ্রগতি ও সহযোগিতা বিস্তারের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তার সম্ভাবনাও এ সফরে গুরুত্ব পাবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সফরের সময় তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি আলোচনা করবেন।

সভাগুলোতে শান্তি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে কমনওয়েলথের ভূমিকা কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হবে।

কমনওয়েলথের নতুন স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান উপস্থাপন করবেন সফরকালে বচওয়ে কমনওয়েলথের নতুন কৌশলগত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। পরিকল্পনার তিনটি অগ্রাধিকারমূলক স্তম্ভের একটি হলো গণতন্ত্র-যা বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক পথচলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

এছাড়া, বাংলাদেশ কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সহায়তা পেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক হতে পারে, তাও তিনি জানতে আগ্রহী।

সফরের আগে মহাসচিবের বক্তব্য বাংলাদেশ সফরকে সামনে রেখে দেওয়া এক বিবৃতিতে মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতার পর পরই কমনওয়েলথের সদস্য হওয়া বাংলাদেশ সংগঠনের একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার। তিনি জানান, স্থানীয় বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা নেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।

তার বক্তব্যে আরো ছিল-বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, স্বাধীন ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ গঠনে কমনওয়েলথ সবসময় পাশে থাকতে চায়।

প্রাক-নির্বাচনি মূল্যায়ন দলের সফরের ধারাবাহিকতা কমনওয়েলথ বলছে, মহাসচিবের এই সফর গত মাসে ঢাকায় আসা প্রাক-নির্বাচনি মূল্যায়ন দলের কাজেরই ধারাবাহিকতা। ওই দলটি রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করেছিল।

মহাসচিবের এ সফর নির্বাচনপূর্ব সময়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।