রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ১১৪ বার পঠিত হয়েছে

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে চারদিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে- “আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”। রোববার সকালে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সকালে নির্ধারিত সময়ে প্রধানমন্ত্রী রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং প্যারেড কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত আইজিপি একেএম আওলাদ হোসেন। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অংশগ্রহণে আয়োজিত মনোমুগ্ধকর প্যারেড। লাল-সবুজ রঙের খোলা জিপে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের সালাম গ্রহণ করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন। শৃঙ্খলা, কৌশল ও পেশাদারিত্বের সমন্বয়ে সাজানো এ আয়োজন উপস্থিত অতিথিদের দৃষ্টি কাড়ে।

এবারের প্যারেডে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। অনুষ্ঠানে পুলিশের আধুনিকায়ন, জনসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার নানা দিক তুলে ধরা হয়।

উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ উপস্থাপনার মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর সময়কার পুলিশ বাহিনীর উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক পদক্ষেপের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়।

এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম পুলিশ সপ্তাহ। ফলে এবারের আয়োজনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জনবান্ধব পুলিশিং এবং প্রশাসনিক সংস্কার নিয়ে বিশেষ আগ্রহ দেখা গেছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত আইজিপি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি ও নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আগামী ১৩ মে পর্যন্ত সেমিনার, মতবিনিময় সভা, পদক প্রদান, কল্যাণমূলক আলোচনা এবং বিভিন্ন পেশাগত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। জননিরাপত্তা জোরদার এবং জনগণের আস্থা অর্জনে নতুন কর্মপরিকল্পনাও এ সময় উপস্থাপন করা হতে পারে।

রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে চারদিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে- “আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”। রোববার সকালে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সকালে নির্ধারিত সময়ে প্রধানমন্ত্রী রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং প্যারেড কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত আইজিপি একেএম আওলাদ হোসেন। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অংশগ্রহণে আয়োজিত মনোমুগ্ধকর প্যারেড। লাল-সবুজ রঙের খোলা জিপে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের সালাম গ্রহণ করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন। শৃঙ্খলা, কৌশল ও পেশাদারিত্বের সমন্বয়ে সাজানো এ আয়োজন উপস্থিত অতিথিদের দৃষ্টি কাড়ে।

এবারের প্যারেডে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। অনুষ্ঠানে পুলিশের আধুনিকায়ন, জনসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার নানা দিক তুলে ধরা হয়।

উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ উপস্থাপনার মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর সময়কার পুলিশ বাহিনীর উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক পদক্ষেপের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়।

এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম পুলিশ সপ্তাহ। ফলে এবারের আয়োজনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জনবান্ধব পুলিশিং এবং প্রশাসনিক সংস্কার নিয়ে বিশেষ আগ্রহ দেখা গেছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত আইজিপি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি ও নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আগামী ১৩ মে পর্যন্ত সেমিনার, মতবিনিময় সভা, পদক প্রদান, কল্যাণমূলক আলোচনা এবং বিভিন্ন পেশাগত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। জননিরাপত্তা জোরদার এবং জনগণের আস্থা অর্জনে নতুন কর্মপরিকল্পনাও এ সময় উপস্থাপন করা হতে পারে।