স্পিকার-যুক্তরাজ্য হাইকমিশনার বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারের বার্তা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১৬ বার পঠিত হয়েছে

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, গণতন্ত্র, শিক্ষা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে হাইকমিশনার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্যের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাজ্য সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চায়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের জনগণ ও সরকারের সমর্থন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সংসদীয় কাঠামো গঠনে যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার পদ্ধতির প্রভাব রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুসংহত করতে অতীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া, যিনি নব্বইয়ের দশকে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন।
সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পিকার জানান, জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও কৃষকদের উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগগুলো ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষা খাত নিয়ে আলোচনায় স্পিকার কারিগরি ও মানসম্মত শিক্ষার বিস্তারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বলেন।

অন্যদিকে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মত বিনিময়ের সময় সারাহ কুক চলমান আন্তর্জাতিক সংকট, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রসঙ্গে বলেন, সংঘাত এড়ানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে যুক্তরাজ্যের অবস্থান সুস্পষ্ট।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে স্পিকার দুই দেশের সংসদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠন এবং প্রতিনিধিদল বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় যুক্তরাজ্য হাইকমিশনের কর্মকর্তারা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার-যুক্তরাজ্য হাইকমিশনার বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারের বার্তা

প্রকাশ: ০৮:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, গণতন্ত্র, শিক্ষা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে হাইকমিশনার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্যের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাজ্য সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চায়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের জনগণ ও সরকারের সমর্থন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সংসদীয় কাঠামো গঠনে যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার পদ্ধতির প্রভাব রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুসংহত করতে অতীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া, যিনি নব্বইয়ের দশকে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন।
সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পিকার জানান, জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও কৃষকদের উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগগুলো ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষা খাত নিয়ে আলোচনায় স্পিকার কারিগরি ও মানসম্মত শিক্ষার বিস্তারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বলেন।

অন্যদিকে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মত বিনিময়ের সময় সারাহ কুক চলমান আন্তর্জাতিক সংকট, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রসঙ্গে বলেন, সংঘাত এড়ানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে যুক্তরাজ্যের অবস্থান সুস্পষ্ট।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে স্পিকার দুই দেশের সংসদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠন এবং প্রতিনিধিদল বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় যুক্তরাজ্য হাইকমিশনের কর্মকর্তারা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।