২০ জুলাই ছাত্রনেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের “কারাবন্দী দিবস”। দিনটিকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা এবং শ্রদ্ধার প্রকাশ দেখা গেছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!২০১৮ সালের এই দিনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে ব্যাপক বিক্ষোভের পর নূরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তাঁর সঙ্গে সহিংস আচরণ এবং পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার দৃশ্য আজও গণমানুষের স্মৃতিতে স্পষ্ট হয়ে আছে। এ ঘটনাকে অনেকে গণআন্দোলনের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করেন।
নূর তৎকালীন ডাকসুর ভিপি হিসেবে শিক্ষার্থীদের পক্ষে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘গণঅধিকার পরিষদ’ গঠন করে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হন। আন্দোলন, মানবাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় অনিয়মের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সোচ্চার অবস্থানের জন্য তাকে একাধিকবার পুলিশি বাধা ও গ্রেফতারের সম্মুখীন হতে হয়েছে।
২০ জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর দিনটি ‘কারাবন্দী দিবস’ হিসেবে স্মরণ করে আসছে তাঁর সমর্থক ও অনুসারীরা।
এদিন তাকে “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক” হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়।
গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ দিনটি শুধু নূরের কারাবন্দিত্ব নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। তাঁরা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নূরের নেতৃত্বে ছাত্র ও তরুণদের একটি বড় অংশ এখনও সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। তাঁর এই সংগ্রামী ভূমিকা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।


















