ঢাকার মিরপুরে এক সামাজিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চীন দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের প্রতি বন্ধুসুলভ আচরণ বজায় রেখে চলেছে। তার দাবি, চীন কখনো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি, যা একটি স্বাধীন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বে এমন কিছু দেশ রয়েছে যারা বাংলাদেশের কাছ থেকে নানা সুবিধা গ্রহণ করলেও প্রায়ই দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মতামত বা হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে। এর বিপরীতে চীনকে তিনি ব্যতিক্রম হিসেবে তুলে ধরেন, যারা সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখলেও নীতিগতভাবে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সংযম দেখিয়েছে।
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস অর্ধশতাব্দীরও বেশি পুরোনো। ১৯৭৬ সালে চীন আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন বড় প্রকল্পে চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে চীন আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তার ভাষায়, উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে চীন ইতোমধ্যে যে ভূমিকা রেখেছে, তা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সবশেষে, তিনি চীনের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


















