আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে কয়রায় একটি বড় নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে কয়রা মদিনাবাদ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় কয়রা ও আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “দেশ ও মানুষের কল্যাণে সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। ইনশাআল্লাহ জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে কয়রা-পাইকগাছার উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” তিনি দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক জিএস সালাউদ্দিন আম্মার, খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট শাহ আলম ও অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতা মাওলানা জিএম রফিকুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মাওলানা সুজাউদ্দিন, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, শ্রমিক নেতা শেখ আবুল কালাম আজাদ, মোল্লা শাহবুদ্দীন, ছাত্রশিবির দক্ষিণ খুলনার সভাপতি আবুজার গিফারী ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ ওয়েস কুরুনীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, কয়রা-পাইকগাছা অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই। তারা জনগণের ভোট ও সমর্থনের মাধ্যমে মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে বিজয়ী করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
জনসভা থেকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। পুরো জনসভা ছিল উৎসবমুখর ও শৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত, যা স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
শেখ সিরাজউদ্দৌলা লিংকন 















