আওয়ামী স্টাইলে’ শাসনের ইঙ্গিত—রফিকুল ইসলাম

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগ তুলেছেন।

তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকারের বয়স খুব বেশি না হলেও বিভিন্ন সরকারি দফতর ও প্রশাসনিক কাঠামোতে দলীয় প্রভাব বিস্তার শুরু হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরোনো শাসনব্যবস্থার মতোই ‘একই ধাঁচের’ নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।২

রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উপাচার্য পরিবর্তন, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ এবং সচিবালয়ে কিছু কর্মকর্তার পুনরায় ওএসডি করার মতো সিদ্ধান্তগুলো প্রশ্ন তৈরি করছে। স্বাস্থ্য প্রশাসনেও একই ধরনের পরিবর্তন বেশি দেখা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশে রাজনৈতিক বৈষম্য ও এককেন্দ্রিক শাসনের বিরুদ্ধে অতীতে আন্দোলন হলেও এখন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন নেই।

গণভোট প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতে পারে।

সরকারি দলের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে অনেক সময় মূল সমস্যাগুলো যেমন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের দাম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয় না।

অতীত রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন হলেও প্রত্যাশিত ফল আসেনি। তিনি ২০১৩ সালের রাজনৈতিক কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে বলে তাঁর মন্তব্য। তাঁর দাবি অনুযায়ী, অতীত সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে, যার কারণে তাঁরা তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে দ্বিধায় আছেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও ঘটনার পেছনে বড় ধরনের পরিকল্পনা ও সমঝোতা কাজ করে থাকে, যা সাধারণ মানুষের সামনে সবসময় পরিষ্কারভাবে আসে না।

আওয়ামী স্টাইলে’ শাসনের ইঙ্গিত—রফিকুল ইসলাম

প্রকাশ: ১০:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগ তুলেছেন।

তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকারের বয়স খুব বেশি না হলেও বিভিন্ন সরকারি দফতর ও প্রশাসনিক কাঠামোতে দলীয় প্রভাব বিস্তার শুরু হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরোনো শাসনব্যবস্থার মতোই ‘একই ধাঁচের’ নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।২

রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উপাচার্য পরিবর্তন, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ এবং সচিবালয়ে কিছু কর্মকর্তার পুনরায় ওএসডি করার মতো সিদ্ধান্তগুলো প্রশ্ন তৈরি করছে। স্বাস্থ্য প্রশাসনেও একই ধরনের পরিবর্তন বেশি দেখা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশে রাজনৈতিক বৈষম্য ও এককেন্দ্রিক শাসনের বিরুদ্ধে অতীতে আন্দোলন হলেও এখন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন নেই।

গণভোট প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতে পারে।

সরকারি দলের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে অনেক সময় মূল সমস্যাগুলো যেমন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের দাম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয় না।

অতীত রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন হলেও প্রত্যাশিত ফল আসেনি। তিনি ২০১৩ সালের রাজনৈতিক কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে বলে তাঁর মন্তব্য। তাঁর দাবি অনুযায়ী, অতীত সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে, যার কারণে তাঁরা তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে দ্বিধায় আছেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও ঘটনার পেছনে বড় ধরনের পরিকল্পনা ও সমঝোতা কাজ করে থাকে, যা সাধারণ মানুষের সামনে সবসময় পরিষ্কারভাবে আসে না।