কারামুক্ত তাসনিম আফরোজ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৬৯ বার পঠিত হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ (ইমি) অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকালে আদালতের জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো আটকাদেশ না থাকায় মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৭ মার্চ রাতে। সেদিন শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ প্রচারের ঘোষণা দেন শেখ তাসনিম আফরোজসহ কয়েকজন। পরে রিকশায় মাইক লাগিয়ে ভাষণ বাজানোর সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী এতে আপত্তি জানান। তাদের মধ্যে ছিলেন ডাকসুর সাবেক নেতা এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসির।

একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শেখ তাসনিম আফরোজ ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে রিকশাসহ শাহবাগ থানার ভেতরে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে রাখে।

পরদিন থানা হেফাজতে থাকা আসিফ আহমেদ সৈকতসহ তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই ঘটনায় শাহবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।

এরপর মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শেখ তাসনিম আফরোজ। গত ৩০ এপ্রিল বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুলও জারি করা হয়।

হাইকোর্টের আদেশের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে কারামুক্ত হন শেখ তাসনিম আফরোজ।

কারামুক্ত তাসনিম আফরোজ

প্রকাশ: ১০:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ (ইমি) অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকালে আদালতের জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো আটকাদেশ না থাকায় মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৭ মার্চ রাতে। সেদিন শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ প্রচারের ঘোষণা দেন শেখ তাসনিম আফরোজসহ কয়েকজন। পরে রিকশায় মাইক লাগিয়ে ভাষণ বাজানোর সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী এতে আপত্তি জানান। তাদের মধ্যে ছিলেন ডাকসুর সাবেক নেতা এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসির।

একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শেখ তাসনিম আফরোজ ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে রিকশাসহ শাহবাগ থানার ভেতরে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে রাখে।

পরদিন থানা হেফাজতে থাকা আসিফ আহমেদ সৈকতসহ তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই ঘটনায় শাহবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।

এরপর মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শেখ তাসনিম আফরোজ। গত ৩০ এপ্রিল বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুলও জারি করা হয়।

হাইকোর্টের আদেশের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে কারামুক্ত হন শেখ তাসনিম আফরোজ।