গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিলেন চাকমাসহ অনেকে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:১৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৮৫ বার পঠিত হয়েছে

রাঙ্গামাটিতে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে গণঅধিকার পরিষদ। জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের নেতাকর্মীরা দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৫ মে) রাঙ্গামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিয়ে নতুন রাজনৈতিক যাত্রার কথা জানান। যোগদানকারীদের মধ্যে ছিলেন এনসিপির জেলা আহ্বায়ক বিপিন যথী চাকমা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব আন্দোলনের সভাপতি পলাশ চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক চীরজিৎ চাকমা, দপ্তর সম্পাদক সাগর চাকমা, প্রচার সম্পাদক অভিলাস চাকমা, অবসরপ্রাপ্ত এসআই জলমনি চাকমা এবং এলডিপির নেতা কামালসহ আরও অনেকে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উচ্চতর পরিষদের সদস্য সাকিব হোসাইন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক আহ্বায়ক আবুল বাশার, সদস্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান রোমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রুদ্র মুহম্মদ জিয়াদ, জেলা সভাপতি ইমাম হোসাইন ইমু, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আউয়াল এবং জয় বড়ুয়াসহ স্থানীয় নেতারা।

বক্তব্যে আবু হানিফ বলেন, গণঅধিকার পরিষদ এমন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, পাহাড় ও সমতলের সব জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার নিশ্চিতে দলটি কাজ করবে। নিরপরাধ রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য দলের দরজা খোলা থাকলেও অপরাধে জড়িতদের জায়গা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি জুলাই সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

উচ্চতর পরিষদের সদস্য সাকিব হোসাইন বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে গণঅধিকার পরিষদ ধারাবাহিকভাবে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমঝোতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পাহাড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করাই গণঅধিকার পরিষদের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে নতুন যোগদানকারীরা গণঅধিকার পরিষদের আদর্শ ও কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং রাঙ্গামাটিতে দলকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিলেন চাকমাসহ অনেকে

প্রকাশ: ১২:১৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

রাঙ্গামাটিতে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে গণঅধিকার পরিষদ। জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের নেতাকর্মীরা দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৫ মে) রাঙ্গামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিয়ে নতুন রাজনৈতিক যাত্রার কথা জানান। যোগদানকারীদের মধ্যে ছিলেন এনসিপির জেলা আহ্বায়ক বিপিন যথী চাকমা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব আন্দোলনের সভাপতি পলাশ চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক চীরজিৎ চাকমা, দপ্তর সম্পাদক সাগর চাকমা, প্রচার সম্পাদক অভিলাস চাকমা, অবসরপ্রাপ্ত এসআই জলমনি চাকমা এবং এলডিপির নেতা কামালসহ আরও অনেকে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উচ্চতর পরিষদের সদস্য সাকিব হোসাইন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক আহ্বায়ক আবুল বাশার, সদস্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান রোমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রুদ্র মুহম্মদ জিয়াদ, জেলা সভাপতি ইমাম হোসাইন ইমু, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আউয়াল এবং জয় বড়ুয়াসহ স্থানীয় নেতারা।

বক্তব্যে আবু হানিফ বলেন, গণঅধিকার পরিষদ এমন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, পাহাড় ও সমতলের সব জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার নিশ্চিতে দলটি কাজ করবে। নিরপরাধ রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য দলের দরজা খোলা থাকলেও অপরাধে জড়িতদের জায়গা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি জুলাই সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

উচ্চতর পরিষদের সদস্য সাকিব হোসাইন বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে গণঅধিকার পরিষদ ধারাবাহিকভাবে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমঝোতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পাহাড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করাই গণঅধিকার পরিষদের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে নতুন যোগদানকারীরা গণঅধিকার পরিষদের আদর্শ ও কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং রাঙ্গামাটিতে দলকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।