গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার আহ্বান ড. মঈন খানের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত হয়েছে

রাজধানীর একটি হোটেলে সিটিজেনস ফোরাম বাংলাদেশ আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য Dr. Abdul Moyeen Khan দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ টেকসই করতে শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে আবারও গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় কাজ হলো প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অস্থিরতা এলেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতার উদাহরণ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, শত বছরের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলোই রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংকটের মাঝেও দেশটির গণতান্ত্রিক কাঠামো টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে।

মঈন খান আরও বলেন, বর্তমান সংসদের ওপর একটি বড় ঐতিহাসিক দায়িত্ব এসেছে। এই সংসদ যদি ভারসাম্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে, তাহলে এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জনমত প্রকাশের সুযোগ অনেক বেড়েছে। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং মুক্ত আলোচনা এখন আগের তুলনায় বেশি সক্রিয়, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে আরও গতিশীল করেছে।

অনুষ্ঠানে আলোচকরা মনে করেন, বর্তমান সংসদকে ভবিষ্যতের রাষ্ট্র বিনির্মাণে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহনশীলতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা জরুরি।

অধ্যাপক Bhorhan Uddin Khan বলেন, গণতন্ত্রকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে হলে রাজনৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতার চর্চা অপরিহার্য। ত্যাগ ও আন্দোলনের ইতিহাসকে স্মরণে রেখে সামনে এগোতে হবে।

বৈঠকের সভাপতি Anowarulllah Chowdhury বলেন, একটি টেকসই গণতন্ত্র গড়ে তুলতে হলে শিক্ষিত ও মানবিক সমাজ গঠনের কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে নাগরিকদের আরও সচেতন ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

এছাড়া ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক Mamon Ahmed জানান, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংসদ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। ভিন্নমতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংলাপের মাধ্যমে ঐকমত্য গড়ে তুললে সংসদীয় গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান, অর্থনীতিবিদ বদিউল আলম মজুমদার, সমাজকর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।

গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করাই এখন দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল ভিত্তি।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার আহ্বান ড. মঈন খানের

প্রকাশ: ০১:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

রাজধানীর একটি হোটেলে সিটিজেনস ফোরাম বাংলাদেশ আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য Dr. Abdul Moyeen Khan দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ টেকসই করতে শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে আবারও গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় কাজ হলো প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অস্থিরতা এলেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতার উদাহরণ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, শত বছরের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলোই রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংকটের মাঝেও দেশটির গণতান্ত্রিক কাঠামো টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে।

মঈন খান আরও বলেন, বর্তমান সংসদের ওপর একটি বড় ঐতিহাসিক দায়িত্ব এসেছে। এই সংসদ যদি ভারসাম্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে, তাহলে এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জনমত প্রকাশের সুযোগ অনেক বেড়েছে। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং মুক্ত আলোচনা এখন আগের তুলনায় বেশি সক্রিয়, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে আরও গতিশীল করেছে।

অনুষ্ঠানে আলোচকরা মনে করেন, বর্তমান সংসদকে ভবিষ্যতের রাষ্ট্র বিনির্মাণে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহনশীলতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা জরুরি।

অধ্যাপক Bhorhan Uddin Khan বলেন, গণতন্ত্রকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে হলে রাজনৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতার চর্চা অপরিহার্য। ত্যাগ ও আন্দোলনের ইতিহাসকে স্মরণে রেখে সামনে এগোতে হবে।

বৈঠকের সভাপতি Anowarulllah Chowdhury বলেন, একটি টেকসই গণতন্ত্র গড়ে তুলতে হলে শিক্ষিত ও মানবিক সমাজ গঠনের কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে নাগরিকদের আরও সচেতন ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

এছাড়া ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক Mamon Ahmed জানান, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংসদ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। ভিন্নমতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংলাপের মাধ্যমে ঐকমত্য গড়ে তুললে সংসদীয় গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান, অর্থনীতিবিদ বদিউল আলম মজুমদার, সমাজকর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।

গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করাই এখন দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল ভিত্তি।