রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও সরব হয়েছে ১১ দলীয় জোট। গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত বাস্তবায়নের দাবিতে তারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা আসে।
জোটের লিয়াঁজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ সাংবাদিকদের জানান, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এই কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই গণঅভ্যুত্থানের জন্ম হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে ক্ষমতাসীনদের কর্মকাণ্ডে জনমতের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ পাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। বরং সরকারের পক্ষ থেকে সেই রায়কে উপেক্ষা করে নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সম্মতি ছাড়া এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ গণতান্ত্রিক চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্থিরতা এবং দলীয় প্রভাব বৃদ্ধির কারণে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনের পরিবর্তে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টিকেও তারা সমালোচনা করেন।
জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি এবং গণভোটের দাবি জোরদার করতে তারা পর্যায়ক্রমে আন্দোলনে নামবে। এর অংশ হিসেবে বিক্ষোভ, সমাবেশ এবং গণমিছিলের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
নেতারা মনে করেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে কোনো টেকসই রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব নয়। তাই গণভোটের ফলাফলকে সম্মান জানিয়ে সেই অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার দাবি জানানোই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।

দৈনিক টার্গেট 
























