চট্টগ্রাম এনসিপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
চট্টগ্রাম মহানগর শাখায় নতুন নেতৃত্ব নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছে। সংগঠনটির নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে নগর পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নতুন ঘোষণায় মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক এবং আরিফ মঈনুদ্দিনকে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৬৮ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি আগামী ছয় মাসের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার বাংলামোটরস্থ রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত সাংগঠনিক নির্দেশনা জারি করা হয়।
কমিটি অনুমোদনের স্মারকে স্বাক্ষর করেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। পরে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী ও প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয়।
নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক দায়িত্বে আনা হয়েছে একাধিক নতুন মুখকে। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জোবাইর হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ ইকবাল চৌধুরী এবং আশরাফুল হক টিপু। দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাফসান জানি রিয়াজকে। পাশাপাশি প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রিদুয়ান হৃদয়। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন জাফর আহমদ চৌধুরী ও জসিম উদ্দিন ওপেল।
এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পদে দায়িত্ব পেয়েছেন নিজাম উদ্দিন এবং হুজ্জাতুল্লাহ বিন ফারুক। পুরো কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক, যুগ্ম সদস্যসচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সম্পাদকীয় পদে এবং সম্মানিত সদস্য হিসেবে মোট ১৬৮ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দলটির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সদস্যসচিব ও বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজা উদ্দিন। তিনি জানান, ৪১টি ওয়ার্ড থেকে প্রায় এক হাজার সংগঠকের তথ্য যাচাই-বাছাই করে এই কমিটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের—যেমন প্রাক্তন রাজনৈতিক কর্মী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, তরুণ জুলাই-আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী, প্রবাসী এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের।
তিনি আরও বলেন, এই নতুন কমিটি চট্টগ্রাম মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে সহায়তা করবে।
