ভোটের অধিকার অস্বীকারেই মুক্তিযুদ্ধ: দাবি শফিকুরের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৩১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৫ বার পঠিত হয়েছে

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটের অধিকার অস্বীকার করাই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংসদের অধিবেশনে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান বিদ্যমান থাকা পর্যন্ত তা মেনে চলা নাগরিকদের দায়িত্ব। তবে সাংবিধানিক সীমার ভেতরে থেকে আন্দোলন করা যেতে পারে, কিন্তু বিদ্রোহের পথ গ্রহণ করা উচিত নয়।

শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, সে সময় জনগণ যে রায় দিয়েছিল, তা যথাযথভাবে কার্যকর হয়নি। তার দাবি, পাকিস্তান সরকার যেমন সেই রায়কে উপেক্ষা করেছিল, পরবর্তী সময়েও সেই জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটেনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভোটের গুরুত্ব বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে। একই সঙ্গে তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান এবং পরবর্তী একদলীয় শাসনব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।

তিস্তা অঞ্চলের মানুষের দুর্দশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও বাস্তবে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। জনগণ এখন প্রতিশ্রুতি নয়, কার্যকর উদ্যোগ দেখতে চায়। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তিস্তা নদী উন্নয়ন কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি গ্রামীণ পরিবেশে বড় হয়েছেন এবং কৃষক পরিবারের কষ্ট কাছ থেকে দেখেছেন। বিশেষ করে মৌসুমি দারিদ্র্যের সময় মানুষের দুর্ভোগ তার স্মৃতিতে এখনও জীবন্ত।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধ দমনে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন।

ভোটের অধিকার অস্বীকারেই মুক্তিযুদ্ধ: দাবি শফিকুরের

প্রকাশ: ১০:৩১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটের অধিকার অস্বীকার করাই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংসদের অধিবেশনে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান বিদ্যমান থাকা পর্যন্ত তা মেনে চলা নাগরিকদের দায়িত্ব। তবে সাংবিধানিক সীমার ভেতরে থেকে আন্দোলন করা যেতে পারে, কিন্তু বিদ্রোহের পথ গ্রহণ করা উচিত নয়।

শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, সে সময় জনগণ যে রায় দিয়েছিল, তা যথাযথভাবে কার্যকর হয়নি। তার দাবি, পাকিস্তান সরকার যেমন সেই রায়কে উপেক্ষা করেছিল, পরবর্তী সময়েও সেই জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটেনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভোটের গুরুত্ব বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে। একই সঙ্গে তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান এবং পরবর্তী একদলীয় শাসনব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।

তিস্তা অঞ্চলের মানুষের দুর্দশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও বাস্তবে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। জনগণ এখন প্রতিশ্রুতি নয়, কার্যকর উদ্যোগ দেখতে চায়। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তিস্তা নদী উন্নয়ন কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি গ্রামীণ পরিবেশে বড় হয়েছেন এবং কৃষক পরিবারের কষ্ট কাছ থেকে দেখেছেন। বিশেষ করে মৌসুমি দারিদ্র্যের সময় মানুষের দুর্ভোগ তার স্মৃতিতে এখনও জীবন্ত।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধ দমনে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন।