যশোরে প্রধানমন্ত্রীর সফর

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোর সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তৎপরতা। সোমবারের এই সফরে উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন থেকে শুরু করে জনসভার মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, দিনের শুরুতেই ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে যাত্রা শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী। সড়কপথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে আকাশপথে যশোরের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। যশোর বিমানবন্দরে অবতরণের পর সফরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে শার্শা উপজেলার উলশী খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।

এ সময় স্থানীয়ভাবে আয়োজিত একটি পথসভা বা সুধী সমাবেশেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এই সমাবেশে তিনি এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে বক্তব্য দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শার্শার কর্মসূচি শেষে যশোর সার্কিট হাউসে স্বল্প সময়ের জন্য বিশ্রাম নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন, যা স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দিনের শেষ ভাগে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে একটি বড় জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। এই জনসভায় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরা হতে পারে।

সব কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যার দিকে যশোর বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী এবং রাতেই রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের যশোরে প্রথম সফর। তবে গত কয়েক মাসের ব্যবধানে এটি তার দ্বিতীয় যশোর সফর। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে তিনি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিতে জেলায় গিয়েছিলেন।

এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যেও সফরটি নিয়ে কৌতূহল ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।