বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক পর্বে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে ডা. শফিকুর রহমান–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিস্রি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি এই সাক্ষাৎ করেন। শপথ-পরবর্তী কূটনৈতিক সৌজন্যের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি দুই দেশের চলমান সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার বার্তা বহন করে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জনগণভিত্তিক শক্ত ভিত্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুই দেশের বন্ধন কেবল রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জনগণের আন্তরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়েই এই সম্পর্ক গভীরতা পেয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় ডা. শফিকুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ভারতের দীর্ঘদিনের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
জবাবে ডা. শফিকুর রহমান দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সভ্যতাগত বন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্কই টেকসই হয়। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি মত দেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে একমত হন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের এই সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশাই ছিল আলোচনার মূল সুর।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের শপথ-পরবর্তী সময়ে এমন সৌজন্য সাক্ষাৎ ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমন্বয়ের ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বহুমাত্রিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও সুদৃঢ় হবে-এমন আশাবাদই উভয় পক্ষের বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।
দৈনিক টার্গেট 
























