সংসদে শামা ওবায়েদ–নাহিদ ইসলাম বাকযুদ্ধ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের দুই নেতার মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে।

আলোচনার সময় বিএনপির সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের দেশপ্রেম প্রমাণিত হয়েছে। তবে ৫ আগস্টের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু তরুণ সদস্যের বিরুদ্ধেও গত দেড় বছরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

শামা ওবায়েদ আরও মন্তব্য করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞতা, সাহস ও বুদ্ধিমত্তা প্রয়োজন। তার মতে, রাজনৈতিক কাজ শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্রচারণার মাধ্যমে হয় না। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৯৭১ সালের সময় যদি বর্তমানের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থাকত, তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত এমন একটি ইঙ্গিতও দেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন।

তার বক্তব্যের পর বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি দাবি করেন, যদি দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়, তবে তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগেরও ব্যাখ্যা দাবি করে বলেন, তার বিরুদ্ধে কী ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এবং কোথায় তিনি জড়িত তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান ও পূর্ববর্তী সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে, যা নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আলোচনায় কারও নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তাই বিষয়টি সংসদের নিয়মের মধ্যেই রয়েছে বলে উল্লেখ করে বিতর্কের ইতি টানেন।

সংসদে শামা ওবায়েদ–নাহিদ ইসলাম বাকযুদ্ধ

প্রকাশ: ০৮:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের দুই নেতার মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে।

আলোচনার সময় বিএনপির সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের দেশপ্রেম প্রমাণিত হয়েছে। তবে ৫ আগস্টের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু তরুণ সদস্যের বিরুদ্ধেও গত দেড় বছরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

শামা ওবায়েদ আরও মন্তব্য করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞতা, সাহস ও বুদ্ধিমত্তা প্রয়োজন। তার মতে, রাজনৈতিক কাজ শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্রচারণার মাধ্যমে হয় না। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৯৭১ সালের সময় যদি বর্তমানের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থাকত, তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত এমন একটি ইঙ্গিতও দেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন।

তার বক্তব্যের পর বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি দাবি করেন, যদি দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়, তবে তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগেরও ব্যাখ্যা দাবি করে বলেন, তার বিরুদ্ধে কী ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এবং কোথায় তিনি জড়িত তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান ও পূর্ববর্তী সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে, যা নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আলোচনায় কারও নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তাই বিষয়টি সংসদের নিয়মের মধ্যেই রয়েছে বলে উল্লেখ করে বিতর্কের ইতি টানেন।