ফুটবল মাঠে রেকর্ড গড়ার লড়াইয়ে যাদের নাম সবার আগে আসে, তারা হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমার জুনিয়র। গোল, শিরোপা কিংবা ব্যক্তিগত অর্জন-সবখানেই এই দুই মহাতারকার তুলনা চলে বছরের পর বছর। তবে এবার সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঠের বাইরে, আকাশপথে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বিশ্বজুড়ে ভ্রমণের সুবিধা আর বিলাসিতার নতুন সংজ্ঞা হয়ে উঠেছে তাদের ব্যক্তিগত জেট। কে কত দামি ও কত দ্রুতগতির উড়োজাহাজ ব্যবহার করেন-এ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই।
রোনালদোর আকাশযান: বিলাসিতা আর গতির মেলবন্ধন
পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মালিকানায় রয়েছে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক প্রাইভেট জেট বম্বারডিয়ার গ্লোবাল ৬৫০০। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩,০৯০ কোটি টাকা।
এই জেটটি ঘণ্টায় প্রায় ৯৫৬ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম। একবার জ্বালানি নিলেই এটি টানা ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করতে পারে। ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়া কিংবা আমেরিকা-দীর্ঘ যাত্রাও কোনো বিরতি ছাড়াই সম্ভব।
বিমানের গায়ে খোদাই করা রয়েছে রোনালদোর বিখ্যাত লোগো ‘CR7’। ভেতরের সাজসজ্জাও রাজকীয়-প্রাইভেট শোবার ঘর, আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা এবং আধুনিক ৪কে বিনোদন সিস্টেম এই জেটকে করে তুলেছে একেবারে ভাসমান প্রাসাদের মতো।
নেইমারের পছন্দ: নিরাপত্তা ও দক্ষতার প্রতীক
অন্যদিকে ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র ব্যবহার করেন দাসল্ট ফ্যালকন ৯০০এলএক্স। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা।
এই জেটটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর তিনটি ইঞ্জিন, যা বাড়তি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। একটানা প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে এই বিমানের। পাশাপাশি এটি জ্বালানি সাশ্রয়ী হওয়ায় দীর্ঘ ভ্রমণেও বেশ কার্যকর।
শুধু জেটই নয়, নেইমারের আকাশ বহরে রয়েছে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের একটি হেলিকপ্টার। শহরের যানজট এড়িয়ে দ্রুত যাতায়াতের জন্য এটি নেইমারের দৈনন্দিন জীবনে দারুণ সহায়ক।
দৈনিক টার্গেট 















