বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:০০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ১০৫ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। শেষ ম্যাচে ৬ উইকেটের পরাজয়ের কারণে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ।

বৃষ্টির কারণে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি হয়ে ওঠে নির্ধারক। তবে সেই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি স্বাগতিক দল।

১৫ ওভারে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত ম্যাচে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১০২ রানে অলআউট হয় দলটি। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। এছাড়া লিটন দাস করেন ২৬ রান এবং সাইফ হাসান যোগ করেন ১৬ রান।

বল হাতে ভালো শুরু করলেও তা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। শুরুতে দুর্দান্ত বোলিংয়ে চাপ তৈরি করেন শরীফুল ইসলাম। তার আক্রমণে মাত্র ২৫ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। পরে আরেকটি উইকেট নেন শেখ মেহেদী হাসান

তবে এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় নিউজিল্যান্ড। বিশেষ করে বেভন জ্যাকবস ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন। মাত্র ২০ বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। তিনি ২০০ স্ট্রাইকরেটে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। তার সঙ্গে অপরাজিত থাকেন ডিন ফক্সক্রফট, করেন ১৫ রান।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ সাফল্য পান জশ ক্লার্কসন, যিনি নেন ৩টি উইকেট।

সব মিলিয়ে সিরিজে উভয় দলই একটি করে ম্যাচ জিতে এবং একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় সিরিজ শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে সমতায়।

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ

প্রকাশ: ০৭:০০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। শেষ ম্যাচে ৬ উইকেটের পরাজয়ের কারণে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ।

বৃষ্টির কারণে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি হয়ে ওঠে নির্ধারক। তবে সেই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি স্বাগতিক দল।

১৫ ওভারে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত ম্যাচে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১০২ রানে অলআউট হয় দলটি। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। এছাড়া লিটন দাস করেন ২৬ রান এবং সাইফ হাসান যোগ করেন ১৬ রান।

বল হাতে ভালো শুরু করলেও তা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। শুরুতে দুর্দান্ত বোলিংয়ে চাপ তৈরি করেন শরীফুল ইসলাম। তার আক্রমণে মাত্র ২৫ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। পরে আরেকটি উইকেট নেন শেখ মেহেদী হাসান

তবে এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় নিউজিল্যান্ড। বিশেষ করে বেভন জ্যাকবস ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন। মাত্র ২০ বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। তিনি ২০০ স্ট্রাইকরেটে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। তার সঙ্গে অপরাজিত থাকেন ডিন ফক্সক্রফট, করেন ১৫ রান।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ সাফল্য পান জশ ক্লার্কসন, যিনি নেন ৩টি উইকেট।

সব মিলিয়ে সিরিজে উভয় দলই একটি করে ম্যাচ জিতে এবং একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় সিরিজ শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে সমতায়।