অবশেষে বাংলাদেশেও চালু হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন যুগের ফিচার ‘মেটা এআই’। বিশ্বের নানা দেশে চালুর পর এবার দেশের ব্যবহারকারীরাও পাচ্ছেন হোয়াটসঅ্যাপের সার্চবারে নতুন লেখা- “Ask Meta AI or Search”।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এর মাধ্যমে সরাসরি চ্যাটে প্রশ্ন করে, বার্তা লিখে বা তথ্য জানতে ব্যবহার করা যাচ্ছে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারীকে।
মেটা সংস্থা জানিয়েছে, এই ফিচারের মূল লক্ষ্য হলো হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকে আরো সহজ ও বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ করা। ব্যবহারকারী চাইলে মেটা এআই-এর সঙ্গে সাধারণ কথোপকথনের মতো আলাপ করতে পারেন। এটি প্রশ্নের উত্তর দেয়, লেখা তৈরি করে, আইডিয়া দেয় এমনকি গল্প বলতেও পারে।
বাংলাদেশে সম্প্রতি অনেক ব্যবহারকারীর ফোনে এই নতুন ফিচার দেখা যাচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, মেটা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে এআই সহকারী সেবা চালু করছে।
মেটা এআই কীভাবে কাজ করে
হোয়াটসঅ্যাপে গেলে নিচের যোগ চিহ্নের উপরে এখন “Ask Meta AI or Search” অপশন দেখা যায় সেখানে কিছু জিজ্ঞেস করলেই সঙ্গে সঙ্গে উত্তর আসে চ্যাটে কাউকে ট্যাগ করার মতো করে যদি “@Meta AI” লেখা হয়, তবে সেটিও সক্রিয় হয়ে উত্তর দিতে শুরু করে।
এই এআই সহকারী ব্যবহারকারীর কথোপকথন বুঝে তার ভিত্তিতে তথ্য দেয়, বার্তা লেখায় সাহায্য করে এবং জটিল প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারে।
যা যা করা যায় মেটা এআই দিয়ে
যেকোনো বিষয়ে দ্রুত তথ্য জানা যায়। অফিস বা ব্যক্তিগত কাজে বার্তা লেখায় সহায়তা করে। বড় কোনো মেসেজের সারাংশ তৈরি করতে পারে। গল্প, কবিতা বা আইডিয়া তৈরিতে সাহায্য করে। ভবিষ্যতে ছবি, ব্যাকগ্রাউন্ড বা থিম তৈরি করাও সম্ভব হবে।
গোপনীয়তা নিয়ে মেটার নিশ্চয়তা
মেটা জানিয়েছে, ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত বার্তা বা কল নিরাপদ থাকবে। চ্যাটগুলো সম্পূর্ণভাবে এনক্রিপটেড থাকে, অর্থাৎ অন্য কেউ দেখতে পারবে না।
মেটা এআই কেবল আলাদা কথোপকথনের তথ্য প্রক্রিয়া করে, যাতে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষা পায়।
বাংলাদেশে ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া
অনেক ব্যবহারকারী ইতিমধ্যেই নতুন ফিচারটি ব্যবহার করে আনন্দিত। তারা জানিয়েছেন, হোয়াটসঅ্যাপে আলাদা কোনো অ্যাপ ব্যবহার না করেই এখন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাচ্ছে।
এতে যোগাযোগ, তথ্য অনুসন্ধান ও কাজের গতি অনেক বেড়েছে বলে মনে করছেন তারা। হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এআই সহকারী ‘মেটা এআই’ শুধুমাত্র একটি চ্যাট ফিচার নয়, এটি যেন এক স্মার্ট বন্ধু।
এখন এক অ্যাপেই আলাপ, তথ্য অনুসন্ধান, লেখা তৈরি সবকিছু সম্ভব। প্রযুক্তির এই নতুন সংযোজন বাংলাদেশের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।