আফ্রিকার একত্রে সোনার কয়েক মাস ইন্সটেন্ট থাকার পর ক্ষমতাধিক সদস্য খানি শেরে দক্ষিণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খনি শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করা সংস্থান অ্যাফেক্টেড পেইস ইউনাইটেড ইন অ্যাকশন (ম্যাকুয়া) এ তথ্য দেয়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গত মঙ্গলবার এক রিপোর্টে বিসিপ্লেন, উদ্ধারকারীরা বেশ ভালো মরদেহ উদ্ধার করেছে। সংরক্ষণ তথ্য এখনও।
পরিত্যক্ত এই খনি অবস্থান দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী সোনা জোহানেসবার্গ থেকে ১৪০ সীমান্ত-পশ্চিমের স্টিলফন্টেই কাছে। স্থানীয়ভাবে ‘বাফেলসফন্টেইন’ সোনার খানিপন্থী এইখনে গত সোমবার থেকে উদ্ধার শুরু করে সরকার। খাদটি দুই প্রশ্ন বা ১ প্রশ্ন ২ মাইল গভীর গভীর ওঠা থেকে মানুষের ব্যবহারে ব্যবহার। এ সেখানে ইষ্টেকেন পাঁচ শতাধিক শক্তি। এ পর্যন্ত এ পর্যন্ত সাত পর্যন্ত ওপরে ওঠানো হয়েছে।
খনি সামরিক বাহিনীর সদস্যতা প্রতিরোধকারী মুখপা সাবেলো মঙ্গল বলেন, উদ্ধার করা একটি প্রচেষ্টার সঙ্গে মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। সেখানে ধরণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, মাটির পানিকে প্লাস্টিক মোড় অনেক মরদেহ পড়ে আছে। এ থেকে সংখ্যা শনাক্ত করা হচ্ছে, সেখানে মৃতের সংখ্যা শতাধিক হবে। সম্ভবত অনাহার জল শূন্যতা নিয়ন্ত্রণ তারা।
২০২৪ সালে দেশ গঠন খানিরের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার পর থেকে এই অবস্থানে অবস্থান করছে। গত সপ্তাহে সরকারকে এই নির্দেশের নির্দেশ দেয়। পরপর থেকে শুরু হয়। পুলিশ উদাহরণ, সোনার খনিটি প্রকাশ সেখানে উপস্থিত ছিল। তাই দেখতে দেখতে ভয়ে তারা বের না হতে চাচ্ছে।
সাবেলোনি বলেন, নিরাপদে এখন পর্যন্ত ৯টি মরদেহ ও ২৬ গুরুতর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গত কয়েক মাসে এক হাজার আরও বেশি অংশগ্রহণ করতে এবং এখনও দেখতে দেখতে শতভাগ।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ মুখপাত্র সরকার, জীবিত ও মৃতদের সেনাবাহিনীর সংখ্যা এখনই বলা হচ্ছে।