বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি খাতের কিডসগার্টেন স্কুলগুলোর দীর্ঘদিনের অবদান সত্ত্বেও এখনও তারা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উপেক্ষিত এমন অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ কিডসগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন হলে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সংগঠনটি দেশের সকল কিডসগার্টেন ও বেসরকারি বিদ্যালয়সমূহকে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. এল. এম. কামরুজ্জামান। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন মহাসচিব জয়নুল আবেদীন জয়, আর অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক টি. এম. মঞ্জিল হায়াত। বক্তারা বলেন, ২০০৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও, বাস্তবে কিডসগার্টেনের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না, যা একটি চরম বৈষম্য।

তারা অভিযোগ করেন, সরকারের নীতির বাইরে রেখে শিক্ষা খাতে ন্যায্য সুযোগ বঞ্চিত হচ্ছে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী, যারা কিডসগার্টেন বা বেসরকারি স্কুলে অধ্যয়নরত। অথচ এসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে দেশের গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
বক্তারা বলেন, শিক্ষায় সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য অবিলম্বে কিডসগার্টেন শিক্ষার্থীদের সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। সরকারি বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি ও কিডসগার্টেন শিক্ষার্থীদেরও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সমান সুযোগ পাওয়া উচিত, যাতে প্রতিভাবান শিশুরা যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়িত হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল রহমান বাবু, মাহমুদুর রশিদ, আনিস কামাল আজাদ, নজরুল ইসলাম তুকু, হেলাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল খালেক, সাইফুল ইসলাম, শাহজাহান হোসেন প্রমুখ।
সংগঠনের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার এ দাবি দ্রুত আমলে নিয়ে কিডসগার্টেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং আগামী বৃত্তি পরীক্ষায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করবে।
দৈনিক টার্গেট 
























