আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা জোরালো হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আশাবাদের কথা উঠে এসেছে- নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি ও বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল কালাম বিপুল ভোটে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করবেন। নেতাকর্মীদের মতে, এই বিজয় নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য একটি গর্বের উপহার হয়ে থাকবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সংগঠিত রাজনীতি, জনসংযোগ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন অ্যাডভোকেট আব্দুল কালাম। আইন অঙ্গনের পাশাপাশি রাজনৈতিক মাঠে তার সরব উপস্থিতি ও জনঘনিষ্ঠতা এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়া ও অধিকার নিয়ে তিনি যেভাবে কথা বলেছেন এবং আইনি সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা ভোটারদের আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা সবার। এই নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট আব্দুল কালামকে ঘিরে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক ঐক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা জোরদার হচ্ছে, সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণ বাড়ছে। তরুণ ভোটারদের পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যেও তার গ্রহণযোগ্যতা স্পষ্ট।
একাধিক স্থানীয় নেতা জানান, “আমরা বিশ্বাস করি, সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন সম্ভব। এই বিজয় শুধু একজন প্রার্থীর নয়, বরং নারায়ণগঞ্জবাসীর সম্মিলিত প্রত্যাশার প্রতিফলন হবে।” তাদের মতে, নির্বাচনে শক্তিশালী ফলাফল অর্জিত হলে তা দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে।
অন্যদিকে, সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা উন্নয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায্যতার প্রশ্নে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার দেখতে চান। ভোটারদের আশা, নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে এমন একজন প্রতিনিধি যাবেন যিনি এলাকার সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরবেন এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। এই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই তারা অ্যাডভোকেট আব্দুল কালামকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
অ্যাডভোকেট আব্দুল কালাম নিজেও একাধিক আলোচনায় বলেছেন, তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার মর্যাদা রাখতে চান। দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। তার ভাষায়- জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। আমি জনগণের সেবা করতে চাই এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
সবমিলিয়ে, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনী হাওয়া ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। নেতাকর্মী ও ভোটারদের প্রত্যাশা—একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী হবে এবং নারায়ণগঞ্জবাসীর কণ্ঠস্বর জাতীয় সংসদে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।
ফাতেমা আক্তার মাহমুদা ইভা 












